ঢাকার এক শিক্ষার্থী একটি এজেন্সির পোস্ট পড়লেন — "Armenia খুব সহজ, e-visa নিয়ে উড়াল দিন।" তিনি অগ্রিম টাকাও দিয়ে ফেললেন। এরপর জানতে পারলেন, Armenia-র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিজেই ৫৭টি দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করে রেখেছে যাদের নাগরিকেরা e-visa একেবারেই ব্যবহার করতে পারেন না — আর সেই তালিকায় বাংলাদেশ আছে। দেরি নয়, লম্বা লাইন নয়; সরাসরি বন্ধ দরজা। সরকারি ওয়েবসাইটে পরিষ্কার লেখা, খুঁজে পেতে দেড় মিনিটও লাগে না।
এই একটি তথ্যের কারণেই বাংলাদেশ থেকে Armenia স্টুডেন্ট ভিসা আর দশটা গন্তব্যের মতো নয়। খরচ সত্যিই কম, মেডিসিন আর ফার্মেসি ইংরেজিতে পড়ানো হয়, দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটি খুলছেও। তবে ঢোকার পথটা invitation-নির্ভর, আর কাগজপত্রের কাজ শুরু হয় Yerevan থেকে — ঢাকা থেকে নয়।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা Armenia-র e-visa বা on-arrival ভিসা নিতে পারেন না। লাগবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত invitation — সাধারণত আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ই সেটি পাঠায়। এরপর New Delhi-তে Armenia দূতাবাস থেকে sticker visa, যে দূতাবাস বাংলাদেশের দায়িত্বে। পৌঁছে Yerevan-এ এক বছরের নবায়নযোগ্য রেসিডেন্স পারমিট করাতে হয়।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কি Armenia-র e-visa পাবেন?
না। Armenia-র সরকারি তালিকায় বাংলাদেশের নাম তিন নম্বরে। তালিকার শিরোনামেই বলা আছে, এসব দেশের নাগরিকেরা "কেবল বিদেশে Armenia-র দূতাবাস বা কনস্যুলার পোস্টে, এবং কেবল invitation নিয়ে" ভিজিটর ভিসার আবেদন করতে পারবেন। তালিকাটি সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, আছে mfa.am ওয়েবসাইটে।
বাক্যটিতে দুটি আলাদা শর্ত আছে, খেয়াল করুন। এক, invitation ছাড়া হবে না — নিজের উদ্যোগে আবেদন করার সুযোগ নেই। দুই, কেবল বিদেশের দূতাবাসে — evisa.mfa.am পোর্টাল আপনার জন্য খোলা নয়, Zvartnots বিমানবন্দরের on-arrival কাউন্টারও নয়।
এই তালিকায় বাংলাদেশের পাশে আছে Pakistan, Nepal, Sri Lanka, Afghanistan আর আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশ। নিয়মটি নতুন নয়, সাম্প্রতিক কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়াও নয় — বছরের পর বছর ধরে Armenia-র ভিসানীতি এভাবেই সাজানো।
কোনো কনসালটেন্সি যদি বলে Armenia বাংলাদেশিদের তিন দিনে e-visa দেয়, কিংবা Yerevan-এ নেমে বিমানবন্দরেই ভিসা মিলবে — তাঁরা অন্য দেশের নাগরিকদের নিয়ম বলছেন। তাঁদের কাছে জানতে চান, Armenia-র নিজের e-visa তালিকায় বাংলাদেশের নাম কোথায় আছে। নেই।
একটি বিষয় অবশ্য জেনে রাখা ভালো। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত Armenia ১১১টি দেশের নাগরিকদের জন্য সাময়িক ভিসা-ছাড় দিয়েছে, যাঁদের হাতে যুক্তরাষ্ট্র, EU বা Schengen দেশ, UAE, Bahrain, Qatar, Saudi Arabia, Kuwait কিংবা Oman-এর বৈধ রেসিডেন্স পারমিট আছে। বাংলাদেশের অনেক পরিবারেরই কেউ না কেউ উপসাগরীয় দেশে থাকেন, তাই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। তবে বাংলাদেশ ওই ১১১ দেশের মধ্যে আছে কি না, সেটি মন্ত্রণালয়ের PDF মিলিয়ে দেখা দরকার — আর যা-ই হোক, পর্যটকের ছাড় দিয়ে পড়াশোনা হয় না।
বাংলাদেশ থেকে কোন দূতাবাস Armenia-র স্টুডেন্ট ভিসা দেয়?
New Delhi-তে Armenia-র দূতাবাস। বাংলাদেশে Armenia-র কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই, ঢাকায় কোনো ভিসা আবেদন কেন্দ্রও নেই — VFS নেই, BLS নেই, কিছুই নেই। New Delhi-র মিশনটি বাংলাদেশের জন্য concurrent accreditation নিয়ে কাজ করে, sticker visa সেখান থেকেই আসে।
Slovakia, Bulgaria, Estonia আর Austria-র ক্ষেত্রে আমরা যে New Delhi-জট নিয়ে লিখেছি, এটি ঠিক তা-ই। ফলাফলও এক — Armenia দূতাবাসে যাওয়ার আগেই আপনার নিজের ভারতীয় ভিসা লাগবে, Delhi-তে যাতায়াত ও থাকার খরচ যোগ হবে, আর ঢাকায় কাউকে টাকা দিয়ে এই সময়টা কমানো যাবে না।
invitation পাঠাতে হয় Armenia-র e-request.am পোর্টালে। পাঠাতে পারে Armenia-য় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা কিংবা স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সংগঠন — অর্থাৎ বাস্তবে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ই এটি করে, আপনি নন, ঢাকার এজেন্টও নন। লাগে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে সই-সিলসহ invitation, পাসপোর্টের কপি, ভিসা আবেদন ফরম আর রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া ৫,০০০ AMD কনস্যুলার ফি।
এর মানে ধাপের ক্রমটা খেয়াল করুন। ভিসা দিয়ে শুরু করা যায় না। আগে Armenia-র কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সত্যিকারের ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে, যারা আপনার আমন্ত্রণকারী সংস্থা হতে রাজি। বাকি সবকিছু তার পরে — বেশিরভাগ এজেন্টের দেখানো সময়সূচি ঠিক উল্টো।
Armenia-য় পড়তে আসলে কত খরচ?
এখানে আমরা বেশ নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, কারণ Yerevan State Medical University বিদেশি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি Armenian dram-এ খোলাখুলি প্রকাশ করে। নিচের টেবিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের, কোনো এজেন্সির আন্দাজ নয়।
| অনুষদ | বছর | AMD / বছর | আনুমানিক USD | আনুমানিক টাকা |
|---|---|---|---|---|
| General Medicine | ৬ | ২৬,০০,০০০ | ≈ ৭,১৫০ | ≈ ৮.৭ লাখ |
| Stomatology (ডেন্টাল) | ৫ | ২৬,০০,০০০ | ≈ ৭,১৫০ | ≈ ৮.৭ লাখ |
| Pharmacy — স্নাতক | ৪ | ২১,০০,০০০ | ≈ ৫,৭৮০ | ≈ ৭.০ লাখ |
| Pharmacy — স্নাতকোত্তর | ১ | ২২,০০,০০০ | ≈ ৬,০৫০ | ≈ ৭.৪ লাখ |
AMD-র অঙ্কগুলো সরকারি। রূপান্তরগুলো আমাদের করা — ২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর Central Bank of Armenia-র ৩৬৩.৪৪ AMD প্রতি ডলার হার আর ডলারপ্রতি প্রায় ১২২ টাকা ধরে। দুটো হারই ওঠানামা করে, তাই শেষ দুই কলামকে ধারণা হিসেবে নিন, উদ্ধৃতি হিসেবে নয়।
দুটি বিষয় চোখে পড়ে। YSMU স্পষ্ট লিখেছে, পুরো শিক্ষাজীবনজুড়ে বার্ষিক টিউশন অপরিবর্তিত থাকবে — এটি সত্যিকারের সুরক্ষা; ছয় বছরের মেডিসিন একই হারে, সব গন্তব্য এই নিশ্চয়তা দেয় না। আর এজেন্সির ব্লগে ঘুরতে থাকা "বছরে ৬,৫০০ ডলার" হিসাবটি বর্তমান হারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের অঙ্কের সঙ্গে মেলে না। পার্থক্য সামান্য, তবে বোঝা যায় ওই পাতাগুলো মূল উৎস না পড়ে একে অন্যের লেখা টুকছে।
ইউরোপের তুলনায় জীবনযাত্রার খরচ কম। YSMU হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা রাখে, প্রতি কক্ষে দুই বা তিনজন। প্রতিটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে প্রতি বছর মেডিকেল ইনস্যুরেন্স করাতে হয় — এই খরচ টিউশনের ভেতরে নেই, আলাদা করে ধরে রাখুন।
Armenia-র বিশ্ববিদ্যালয়ে কি ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়?
হ্যাঁ, দিতে হয় — আর বাংলাদেশি পাতাগুলোতে এই তথ্যটিরই সবচেয়ে বেশি অভাব। YSMU প্রথম বর্ষে ভর্তি নেয় কেবল তাঁদেরই, যাঁরা Physics, Chemistry আর Biology থেকে বেছে নেওয়া দুটি ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। প্রশ্ন হয় মাধ্যমিক পর্যায়ের সিলেবাস ধরে।
পরীক্ষা হয় Yerevan-এ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে। ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষে fs.emis.am পোর্টালে আবেদন চলেছে ২২ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত, আর যাঁরা ২০ আগস্টের মধ্যে আবেদন করেছেন তাঁরা পরীক্ষা দিয়েছেন ২৬ থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে। ইংরেজি ২৭ আগস্ট, Biology ২৮ আগস্ট, Chemistry ও Physics ৩১ আগস্ট। পরীক্ষার্থীকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়, সঙ্গে নিতে হয় সাধারণ নীল কলম ও পেনসিল, আর ফল ঘোষণার সময়ও থাকতে হয়।
যাঁরা উত্তীর্ণ হতে পারেন না, তাঁরা YSMU-র বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি বিভাগে ভর্তি হতে পারেন। সুযোগটা সত্যি, তবে এতে বাড়তি এক বছর আর বাড়তি খরচ যোগ হয় — "সিট নিশ্চিত" বলে বিক্রি করার সময় কেউ এ কথা বলেন না।
- মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা শেষ
- নির্ধারিত সময়ে fs.emis.am-এ নিবন্ধন
- Physics / Chemistry / Biology থেকে দুটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
- পরীক্ষার জন্য Yerevan যাত্রা — ভিসার পরিকল্পনা এর সঙ্গে মিলিয়ে
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো invitation (e-request.am)
- New Delhi-তে Armenia দূতাবাস থেকে sticker visa
- পৌঁছে Yerevan-এ রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন
Armenia-য় MBBS শুরুর আগে BMDC কী চায়?
এই বাধাটি Armenia-য় নয়, বাংলাদেশেই — আর এখানেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হতে দেখি আমরা। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল নিয়ম করেছে, বিদেশে মেডিকেল ডিগ্রি শুরুর আগেই Eligibility Certificate নিতে হবে। কাউন্সিলের প্রকাশিত তালিকায় চাওয়া হয় MBBS/BDS ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং ফলাফলের কপি। অর্থাৎ কাউন্সিল ধরে নেয়, আপনি বাংলাদেশের জাতীয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বসেছেন।
যে শিক্ষার্থী এই ধাপ এড়িয়ে Yerevan-এ ছয় বছর শেষ করে দেশে ফেরেন, তিনি দেখতে পারেন নিবন্ধনের পথ বন্ধ। ফেরা গ্র্যাজুয়েটদের দেশে চিকিৎসা পেশায় যেতে হলে BMDC-র Registration Qualifying Examination-এও পাস করতে হয়।
"এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য BMDC Eligibility Certificate-এর প্রক্রিয়াটা দেখান।" কনসালটেন্সি যদি পরিষ্কার উত্তর দিতে না পারে, তাঁরা আপনাকে ডিগ্রি বেচছেন, পেশা নয়। সার্টিফিকেটের ফি সামান্য — না থাকার খেসারত ছয় বছর।
Armenia-র জন্য কাগজে কি apostille লাগে?
এখানে সুখবর, এবং সত্যিকারের সুবিধা। Armenia ১৯৯৪ সালে Hague Apostille Convention-এ যোগ দিয়েছে, আর বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি জানানো দেশগুলোর মধ্যে Armenia নেই। বাংলাদেশের জন্য কনভেনশন কার্যকর হয়েছে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ, ফলে আপনার সনদ বাংলাদেশেই apostille করিয়ে Armenia-য় ব্যবহার করা যাবে — পুরো কনস্যুলার লিগ্যালাইজেশনের দরকার নেই।
শোনার চেয়ে এর গুরুত্ব বেশি। Germany, Austria, Czech Republic, Greece, Estonia, Belgium, Netherlands, Finland, France, Denmark বা Lithuania-গামী শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পান না — ওই দেশগুলো আপত্তি জানিয়েছে, তাই তাঁদের এখনো ধীর ও ব্যয়বহুল লিগ্যালাইজেশনের পথ ধরতে হয়। Armenia জানায়নি।
রওনা হওয়ার আগে SSC, HSC আর ট্রান্সক্রিপ্ট বাংলাদেশেই apostille করিয়ে নিন। Armenia সেগুলো গ্রহণ করে। তবে রেসিডেন্স পারমিটের ফাইলের জন্য পাসপোর্টের নোটারি করা Armenian অনুবাদ লাগবে — সেটি Yerevan-এ গিয়েই করাতে হয়।
পড়ার পাশাপাশি কি কাজ করা যায়?
এ ক্ষেত্রে Armenia-র নিয়ম ইউরোপের বেশিরভাগ দেশের চেয়ে উদার। ২০০৬ সালের Law on Foreigners-এর ১৫.১(গ) ধারা অনুযায়ী পড়াশোনা অস্থায়ী রেসিডেন্সের একটি স্বীকৃত ভিত্তি, আর পড়াশোনার ভিত্তিতে পারমিটধারীরা আলাদা ওয়ার্ক পারমিট, নিয়োগকর্তার আবেদন বা সাপ্তাহিক ঘণ্টার সীমা ছাড়াই কাজের সুযোগ পান বলে জানা যায়।
বাক্যটিতে আমরা ইচ্ছে করেই সাবধানি ভাষা রেখেছি। তথ্যটি এসেছে Armenia-র অভিবাসন আইনজীবীদের লেখা থেকে, সরাসরি কোনো সরকারি পাতা থেকে নয় — আর কাজের নিয়ম ঠিক এমন জিনিস যা নীরবে বদলায়।
যা নিশ্চিত: রেসিডেন্স কার্ড দেওয়া হয় এক বছরের জন্য, যোগ্যতা বহাল থাকলে প্রতি বছর নবায়নযোগ্য। আবেদন করতে হয় Migration and Citizenship Service-এ সশরীরে, migration.e-gov.am-এ আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে। সরাসরি হাজির হলে হবে না, আর ফাইলে Armenia-র কোনো ক্লিনিকের মেডিকেল সার্টিফিকেটও লাগে।
বাংলাদেশে Armenia-র বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত প্রতিনিধি কারা?
YSMU-র নিজের ওয়েবসাইট অনুযায়ী — কেউ নন। এবং এই তথ্যটি নিয়ে একটু থামা দরকার।
YSMU তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের নাম প্রকাশ্যে দেয়। ভারতের জন্য নাম ধরে ধরে চিকিৎসকদের তালিকা আছে — New Delhi-তে তাদের Indian Alumni Association-এর সভাপতি, আর Punjab ও Uttarakhand-এর জন্য আলাদা প্রতিনিধি। Sri Lanka-র ক্ষেত্রে তারা আরও স্পষ্ট: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব ও শিক্ষার্থী নেওয়ার অধিকার কেবল একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া, আর অন্য দেশের কোনো এজেন্সি YSMU-র প্রতিনিধিত্বের অনুমোদন পায়নি।
সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম কোথাও নেই। ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় থাকলে যোগাযোগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের প্রধানের নাম ও ঠিকানাও দিয়ে রেখেছে। ঢাকার কোনো অফিস যদি বলে তারা YSMU-র পার্টনার, দাবিটা যাচাইয়ের জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের পাতা, আর প্রশ্ন করার ঠিকানা [email protected]।
একই পাতায় ভারতীয় আবেদনকারীদের জন্য সতর্কবার্তা আছে — NEET ছাড়া ভর্তি অনুমোদিত নয়। বোঝা যায়, এজেন্টদের দাবি নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়াটা Armenia-র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গা-সওয়া। আপনাকে যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তার ক্ষেত্রেও একই কড়া যাচাই আশা করা যায়।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য Armenia কি যুক্তিসঙ্গত?
সোজা কথায়: উপযুক্ত শিক্ষার্থীর জন্য হ্যাঁ। পুরো ডিগ্রিজুড়ে একই টিউশন, ইংরেজি মাধ্যমে মেডিসিন ও ফার্মেসি, কার্যকর apostille পথ, কম জীবনযাত্রার খরচ আর তুলনামূলক উদার কাজের নিয়ম — যুক্তি শক্ত। Armenia এমন দেশ নয় যেখানে প্রতি বছর নীরবে খরচ বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
তবে যতটা ঝামেলাহীন বলে বিক্রি করা হয়, ততটা নয়। invitation-এর শর্ত, Delhi সফর, Yerevan-এ ভর্তি পরীক্ষা আর দেশে BMDC-র বাধা — চারটি আলাদা ধাপ, আর প্রতিটিতেই এমন শিক্ষার্থী আটকেছেন যাঁদের বলা হয়েছিল কোনো ধাপই নেই।
Eduvisa-য় আমরা যা দেখি: যাঁরা বিপাকে পড়েন, তাঁদের যোগ্যতার ঘাটতি প্রায় কখনোই থাকে না। তাঁদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল উল্টো ক্রমে সাজানো সময়সূচি — আগে ভিসা, পরে ভর্তি — আর আসল ক্রমটা তাঁরা জেনেছেন টাকা হাতবদল হয়ে যাওয়ার পর। শুরুতেই ক্রমটা ঠিক রাখতে কোনো খরচ লাগে না।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে Kyrgyzstan স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭ · বাংলাদেশ থেকে Georgia স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭
Armenia আপনার জন্য মানানসই কি না, নিশ্চিত নন?
সনদ আর বাজেট নিয়ে চলে আসুন, আমরা খোলাখুলি বলব এই পথ আপনার ক্ষেত্রে কাজ করবে কি না — BMDC-র প্রশ্নটিসহ, যেটি বেশিরভাগ মানুষ জানতে পারেন অনেক দেরিতে। চাপ নেই, সেদিনই কোনো প্যাকেজ কেনারও দরকার নেই।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →