২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাংলাদেশ হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে যুক্ত হয়েছে, আর তারপর থেকে শিক্ষার্থীদের দেওয়া পরামর্শ দাঁড়িয়েছে দুটি শব্দে — অ্যাপোস্টিল করান। বেশিরভাগ গন্তব্যের জন্য কথাটা ঠিক। কিন্তু বারোটি দেশের জন্য ভুল, আর আরও লম্বা একটা তালিকার দেশে কনভেনশনটাই খাটে না — দুই ক্ষেত্রেই অ্যাপোস্টিল করিয়ে আপনি এমন একটা সিল কিনবেন যা গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ হাতে হাতে ফিরিয়ে দেবে।
অ্যাপোস্টিল ১১৪টি দেশে কাজ করে। বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি জানানো বারোটি রাষ্ট্রে করে না — আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেকিয়া, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, লিথুয়ানিয়া ও নেদারল্যান্ডস। আর যেসব দেশ কনভেনশনে কখনো যোগই দেয়নি সেখানে অ্যাপোস্টিল বলে কিছু নেই, যেমন মালয়েশিয়া, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। এসবের জন্য পুরোনো চেইনই চলবে: শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় → শিক্ষা মন্ত্রণালয় → পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় → বাংলাদেশে সেই দেশের দূতাবাস।
কোন দেশগুলো বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিল নেবে না?
তিনটি আলাদা পরিস্থিতি, আর এগুলো আলাদা রাখা দরকার কারণ কাগজপত্রের পথও আলাদা।
প্রথমত, বারোটি আপত্তিকারী রাষ্ট্র। কনভেনশনের ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পুরোনো সদস্য নতুন সদস্যের যোগদানে আপত্তি দিতে পারে; তখন ওই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে কনভেনশন কার্যকরই হয় না। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বারোটি দেশ আপত্তি দিয়েছে, এই ক্রমে: জার্মানি (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪), চেক প্রজাতন্ত্র (১২ ডিসেম্বর ২০২৪), অস্ট্রিয়া (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪), ফিনল্যান্ড (১৩ জানুয়ারি ২০২৫), বেলজিয়াম (১৩ জানুয়ারি ২০২৫), নেদারল্যান্ডস (১৪ জানুয়ারি ২০২৫), এস্তোনিয়া (১৬ জানুয়ারি ২০২৫), গ্রিস (২১ জানুয়ারি ২০২৫), ফ্রান্স (২৩ জানুয়ারি ২০২৫), ডেনমার্ক (২৪ জানুয়ারি ২০২৫), আর্জেন্টিনা (২৪ জানুয়ারি ২০২৫) ও লিথুয়ানিয়া (২৭ জানুয়ারি ২০২৫)।
দ্বিতীয়ত, যারা পক্ষভুক্তই নয়। এই দেশগুলো কখনো যোগ দেয়নি, তাই আপত্তি দেওয়ার কিছু নেই, অ্যাপোস্টিল করারও কিছু নেই। বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীরা সত্যিই যেসব গন্তব্যে যান তার মধ্যে:
- মালয়েশিয়া — পক্ষভুক্ত নয়, অথচ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য
- মিশর — পক্ষভুক্ত নয়
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, জর্ডান, ইরাক, লেবানন, লিবিয়া, ইরান — কেউই নয়
- নেপাল, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, ভুটান, কম্বোডিয়া, তাইওয়ান — কেউই নয়
- কেনিয়া, নাইজেরিয়া, ঘানা, ইথিওপিয়া — কেউই নয়
এবার খেয়াল করুন তালিকায় কারা নেই, কারণ উল্টো দিকেও মানুষ ভুল করে: সৌদি আরব, কানাডা, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, পাকিস্তান, ওমান, বাহরাইন, মরক্কো, তুরস্ক ও ব্রুনেই সবাই পক্ষভুক্ত এবং সবাই MOFA-র গৃহীত তালিকায় আছে।
তৃতীয়ত, তারিখ ধরে বদলে যাওয়া দেশ। থাইল্যান্ড ৩০ জুন ২০২৬-এ আপত্তি ছাড়াই যোগ দিয়েছে, তবে সেখানে কনভেনশন কার্যকর হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে। ওই তারিখ পর্যন্ত কনস্যুলার লিগ্যালাইজেশন, তারপর অ্যাপোস্টিল। আলজেরিয়া (৯ জুলাই ২০২৬) ও ভিয়েতনাম (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) এ বছরই একই রেখা পেরিয়েছে।
HCCH-র স্ট্যাটাস টেবিলে বাংলাদেশের পাশে লেখা A**, যার অর্থ তাদের নিজেদের ব্যাখ্যায় "Objection" — কিন্তু টেবিল কখনো বলে না কারা আপত্তি দিয়েছে। অথচ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি পাতার শিরোনাম "Recognized by 114 Countries", যেখানে লেখা আছে "among 127 countries that are signatories to the Hague Apostille Convention, 114 countries accepted Bangladesh accession"। ওই ১১৪টি নাম HCCH-র পক্ষভুক্তদের তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে ঠিক ষোলোটি নাম অনুপস্থিত: উপরের বারোটি, বাংলাদেশ নিজে, আর আলজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড — যারা পাতাটি লেখার পরে যোগ দিয়েছে। ১১৪ + ১২ + বাংলাদেশ = ১২৭। MOFA তালিকাটি বানিয়েছে "সবাই, বাদ বারোজন আপত্তিকারী, বাদ আমরা" হিসেবে। আলাদাভাবে MOFA-র e-Apostille পাতা কেবল স্বীকার করে যে "some countries have raised concerns, including France, Germany, and the Netherlands" — বারোজনের মধ্যে তিনজন।
লিগ্যালাইজেশন চেইনটা ধাপে ধাপে কেমন?
MOFA এটি প্রকাশ করে ৩২ সারির একটি টেবিল হিসেবে, যেখানে প্রতিটি কাগজের জন্য প্রথম যাচাইকারী কর্তৃপক্ষ, নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় আর দক্ষ কর্তৃপক্ষ হিসেবে MOFA লেখা আছে। শিক্ষাসংক্রান্ত সারিগুলো এমন:
| কাগজ | প্রথম যাচাই | মন্ত্রণালয় | শেষ ধাপ |
|---|---|---|---|
| SSC / HSC | শিক্ষা বোর্ড | শিক্ষা | MOFA |
| অনার্স / মাস্টার্স / পিএইচডি | বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষা | MOFA |
| GCE / Edexcel | British Council | শিক্ষা | MOFA |
| MBBS / BDS | বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষা | MOFA |
| ষষ্ঠ–দশম শ্রেণি | স্কুল + USEO | শিক্ষা | MOFA |
| অনুবাদ | নোটারি | আইন | MOFA |
এই টেবিলের দুটি জিনিস প্রায় সবাইকে অবাক করে। প্রথমটি হলো, ইউজিসির কোনো ধাপ নেই — সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও নয়, বেসরকারিতেও নয়। প্রতিটি সারিতে ডিগ্রি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যায়। ইউজিসির প্রকাশিত কাজ হলো বিদেশি ডিগ্রির সমতাবিধান, অর্থাৎ বাইরে থেকে আসা সনদের জন্য — ঠিক উল্টো দিক। এজেন্সির ওয়েবসাইটগুলো নিয়ম করে একটা ইউজিসি ধাপ ঢুকিয়ে দেয়; সরকারের নিজের চেইনে সেটি নেই।
দ্বিতীয়টি হলো, শিক্ষাসনদে নোটারি লাগে না। পাসপোর্টের কপি, জন্মসনদ, নিকাহনামা, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চারিত্রিক সনদ আর অনুবাদের প্রথম ধাপ নোটারি — তবে একাডেমিক কাগজে বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাচাই সেই জায়গাটা নেয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আসলে কোথায় সত্যায়ন হয়?
একটি কাউন্টারে, একটি তলায়, দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে। ১৫ মার্চ ২০২২-এর একটি অফিস আদেশে বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের সনদের জন্য বাংলাদেশ সচিবালয়ের পরিবহন পুল ভবনের ৮ম তলার ৮০৮ নম্বর কক্ষে একটি ওয়ান স্টপ সার্ভিস ডেস্ক চালু হয়। মন্ত্রণালয়ের নিজের ইংরেজি নির্দেশনায় লেখা, সাপ্তাহিক ও জাতীয় ছুটি বাদে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখানে সনদ নেওয়া হয় — আর পরিকল্পনার জন্য সবচেয়ে কাজের কথাটি হলো, "Certificates will be returned to the applicants After attestation at the Same day."
১১ নভেম্বর ২০২৫-এর আরেকটি অফিস আদেশে সপ্তাহের প্রতিটি কার্যদিবসের জন্য আলাদা নামের সত্যায়নকারী কর্মকর্তা ঠিক করা হয়েছে, সঙ্গে ছুটির সময়ের জন্য নামসহ বিকল্প কর্মকর্তা: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রত্যেকের নিজস্ব কর্মকর্তা আছেন। আদেশটির অনুলিপি আনুষ্ঠানিকভাবে পররাষ্ট্র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে — অর্থাৎ দুই মন্ত্রণালয় এই চেইনটি সমন্বয় করেই চালায়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত নির্দেশনায় এক বাক্যেই লেখা: "Certificates obtained from english medium institutions or foreign countries will not consider for attestation." আপনার সন্তান যদি Cambridge বা Edexcel পরীক্ষা দিয়ে থাকে, মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার সেই সনদ সত্যায়ন করবে না। সরকারি চেইন ওই কাগজগুলোকে বদলে পাঠায় British Council-এর কাছে, প্রথম যাচাইকারী হিসেবে, তারপর মন্ত্রণালয় ও MOFA। দুটি আলাদা সরকারি নথিতেই কথাটা একরকম, আর ঢাকার ইংলিশ মিডিয়াম অংশে এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুল বোঝাবুঝি — পরিবার ভুল কাগজ নিয়ে সচিবালয়ে লাইনে দাঁড়ায় আর এক সপ্তাহ হারায়।
প্রতিটি ধাপে খরচ কত?
নিচের প্রতিটি সংখ্যা সরকারি পাতা থেকে নেওয়া, কোনো এজেন্সির মূল্যতালিকা থেকে নয়।
| ধাপ | ফি | সময় |
|---|---|---|
| বোর্ড যাচাই (ব্যক্তিগত) | ৳২৫ প্রতি সনদ | প্রকাশিত নয় |
| বোর্ড যাচাই (প্রাতিষ্ঠানিক) | ৳৫০ প্রতি সনদ | প্রকাশিত নয় |
| শিক্ষা মন্ত্রণালয় — SSC | ৳২০০ প্রতি পৃষ্ঠা | ৫ কার্যদিবস |
| শিক্ষা মন্ত্রণালয় — HSC | ৳২০০ প্রতি পৃষ্ঠা | ৫ কার্যদিবস |
| অ্যাপোস্টিল (মেডিকেল সনদ) | ৳১,০০০ প্রতি সনদ | ৭ কার্যদিবস |
| MOFA — পাওয়ার অব অ্যাটর্নি | বিনামূল্যে | ৫ কার্যদিবস |
বোর্ডের ফি-র সঙ্গে কিছু শর্ত আছে যেগুলোতে মানুষ হোঁচট খায়। ঢাকা বোর্ডের অফিসিয়াল যাচাই ফরমে লেখা আছে, আবেদনকারীকে অবশ্যই নিজ হাতে ফরম পূরণ করতে হবে, ফি দিতে হবে কেবল সোনালী ব্যাংকের শাখায় সোনালী সেবার মাধ্যমে এবং দুটি কাউন্টারফয়েলই সংগ্রহ করতে হবে, আর প্রত্যেক ধরনের সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট ও নম্বরপত্রের অন্তত চার কপি করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বরও লাগবে, যা বোর্ডের নিজের প্রতিষ্ঠান-তালিকায় পাওয়া যায়।
myGov-এর সত্যায়ন সেবাগুলোতে আপলোডের সীমা প্রতি ফাইল ১ এমবি, কেবল JPEG বা PNG, আর পাতাগুলোতে সতর্ক করা আছে যে অসম্পূর্ণ আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় এবং ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল। ট্র্যাকিং নম্বর আসে এসএমএসে।
অনুবাদ করা কাগজের বেলায় কী?
অনুবাদ চেইনে নিজেই একটা আলাদা সারি, আর এখানে বাংলাদেশের এমন একটি নিয়ম আছে যা সাধারণ অ্যাটেস্টেশন সাইটে থাকে না। যেকোনো ভাষার অনুবাদ যায় নোটারি → আইন মন্ত্রণালয় → MOFA হয়ে। আর আরবি অনুবাদ যায় নোটারি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন → আইন মন্ত্রণালয় → MOFA হয়ে। গন্তব্য উপসাগরীয় কোনো দেশ হলে এবং কাগজের আরবি অনুবাদ লাগলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আপনার চেইনের একটি ধাপ, ঐচ্ছিক কিছু নয়।
কক্সবাজারের জন্মসনদ সাধারণ পথে চলে না — চেইনে লেখা আছে, সেগুলো কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সত্যায়ন করাতে হবে। মেডিকেল ডিগ্রির ক্ষেত্রে সেশনের বছর অনুযায়ী পথ বদলায়: ২০১৫-১৬ সেশন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আর ২০১৭-১৮ থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সনদ দেয়, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার ক্ষেত্রেও একই ধরনের ভাগ আছে — অর্থাৎ কে সত্যায়ন করবে তা নির্ভর করে আপনি কবে পড়েছেন তার ওপর। আর MOFA-র ই-অ্যাটেস্টেশন সিস্টেম স্ক্যান করা ছবি রাখে সর্বোচ্চ এক বছর — সত্যায়ন বৈধ থাকে, ছবিটি থাকে না, তাই নিজের স্ক্যান নিজের কাছে রাখুন।
পুরো কাজটায় কত সময় লাগে?
কাগজে-কলমে যতটা মনে হয় তার চেয়ে কম। MOFA-র e-Apostille পাতা বলে কাজটি "completed within five days"; মেডিকেল সনদের জন্য চালু myGov অ্যাপোস্টিল সেবা বলে সাত কার্যদিবস; SSC ও HSC সত্যায়নে লেখা পাঁচ কার্যদিবস; আর মন্ত্রণালয়ের ওয়ান স্টপ ডেস্ক সনদ ফেরত দেয় একই দিনে। সংখ্যাগুলো নিজেদের মধ্যেই মেলে না, আর কোনোটিতেই গন্তব্য দেশের দূতাবাসের নিজের লাইনটা ধরা নেই — সপ্তাহগুলো আসলে সেখানেই যায়।
এতে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হন তাঁরা অসাবধান নন — বরং তাঁরাই, যাঁরা কিছু একটা পড়েছেন। তাঁরা পড়েছেন "বাংলাদেশে এখন অ্যাপোস্টিল চালু", টাকা দিয়ে করিয়েছেন, তারপর জেনেছেন গন্তব্যটা জার্মানি, কিংবা ফ্রান্স, কিংবা মালয়েশিয়া। সমাধানটা জটিল নয়; শুধু সময়সাপেক্ষ, আর সেটা ভর্তির ডেডলাইনের পরে নয়, আগে শুরু করতে হয়। অফার লেটারটা নিয়ে আসুন — কোনো টাকা খরচের আগেই বলে দেব আপনার কাগজ কোন চেইনে পড়ছে।
যা আমরা যাচাই করতে পারিনি, সরাসরি বলছি। শিক্ষাসনদের সাধারণ কনস্যুলার লিগ্যালাইজেশনে MOFA-র নিজস্ব ফি কোনো পাতায় প্রকাশ করা নেই, MOFA-র কনস্যুলার কাউন্টারের সময়সূচিও নেই, জমা দিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগে কি না তাও নেই। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আমাদের পরিবেশ থেকে mofa.gov.bd ডোমেইনটিতেই পৌঁছানো যায়নি (প্রতিবারই TLS চেইন ব্যর্থ হয়েছে, অথচ MOFA-র সার্ভিস ডিরেক্টরি সাবডোমেইন স্বাভাবিকভাবেই খুলেছে), তাই সেগুনবাগিচার ঠিকানা আর +৮৮০২-২২৩৩৮১৮৫২ নম্বরটি মন্ত্রণালয়ের মূল সাইট নয়, সার্ভিস ডিরেক্টরির ফুটার থেকে নেওয়া। বাজেট করার আগে ওই নম্বরে বা [email protected] ঠিকানায় ফি ও সময় মিলিয়ে নিন। ৳২৫ ও ৳৫০ বোর্ড ফি ঢাকা বোর্ডের প্রকাশিত ফি-তালিকা থেকে নেওয়া, যেখানে কোনো তারিখ লেখা নেই। বাংলাদেশে বিদেশি দূতাবাসগুলোর লিগ্যালাইজেশন ফি সেই সরকারগুলো ঠিক করে, এখানে তা আসেনি। MOFA-র নিজের গোনা ১২৭টি স্বাক্ষরকারী দেশ এখন HCCH-র ১৩০-এর চেয়ে পিছিয়ে। আর বারোটি আপত্তিকারী দেশের জন্য পুরোনো চেইনই চলবে — এটি ১২ অনুচ্ছেদ ও MOFA-র বাদ-দেওয়া তালিকা মিলিয়ে আমাদের পাঠ, কোনো বাংলাদেশি সূত্র এই ভাষায় বলেনি। সব তথ্য ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ পড়া।
সরকারি সূত্র: MOFA — যে ১১৪টি দেশ বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিল নেয় · MOFA — chain of legalization, ৩২ ধরনের কাগজ · HCCH — অ্যাপোস্টিল কনভেনশন স্ট্যাটাস টেবিল
আরও পড়ুন: বিদেশে পড়ার কাগজে বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিল · বিদেশে এমবিবিএসের জন্য বিএমডিসি এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট
আপনার সনদ কোন চেইনে পড়ছে জানেন না? উত্তরটা দশ মিনিটের।
একটাই প্রশ্নে সব ঠিক হয়ে যায়: আপনার গন্তব্য MOFA-র ১১৪ দেশের তালিকায় আছে, নাকি নেই? এটি ভুল হলে দুবার টাকা যায় আর এক মাস নষ্ট হয়। অফার লেটার আর সনদগুলো নিয়ে আসুন, খরচ শুরুর আগেই কাউন্টার ধরে ধরে পুরো পথটা এঁকে দেব।
ফ্রি পরামর্শ নিন →
