এ বছর আমরা যত দেশ নিয়ে লিখেছি, প্রায় প্রতিটি লেখাই শেষ হয়েছে একই বাক্যে—ফাইলটা নয়াদিল্লি পাঠাতে হবে। Estonia, Czech Republic, Slovakia, Bulgaria, Portugal, Greece—সবগুলোই। এরপর বাংলাদেশ থেকে China স্টুডেন্ট ভিসা-র দিকে তাকালে ঠিকানাটা বদলে যায়। দিল্লি নয়, বনানী।
একটা বাংলাদেশি পরিবারের পুরো পরিকল্পনা এই একটা পার্থক্যেই পাল্টে যায়। ভারতের ট্রানজিট ভিসা লাগে না, প্লেনের টিকিট লাগে না, হোটেল লাগে না, অন্য দেশে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষাও করতে হয় না। তবে ঠিকানা কাছে মানেই আবেদন সহজ নয়। আর China নিয়ে ঢাকার কিছু কনসালটেন্সির ওয়েবসাইটে যা লেখা আছে, Chinese Embassy তাদের নিজেদের নোটিশে তা লেখেনি। এই লেখায় দূতাবাস আর ভিসা সেন্টার যা বলে, শুধু সেটুকুই আছে।
China-তে ১৮০ দিনের বেশি সময় পড়তে গেলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দরকার X1 ভিসা। ঢাকার Chinese Embassy চায় JW201 বা JW202 ফর্ম, admission letter-এর মূল কপি, আর নিজ খরচে পড়লে ব্যাংক স্টেটমেন্টে প্রতি বছরের জন্য অন্তত ২,৫০০ US ডলার। আবেদন অনলাইনে visaforchina.cn-এ, আর কাগজ জমা পড়ে ঢাকার বনানীর ভিসা সেন্টারে।
China-তে পড়তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কোন ভিসা লাগে?
আপনার কোর্স ১৮০ দিনের বেশি হলে লাগবে X1 ভিসা। আর ১৮০ দিন বা তার কম হলে—যেমন এক সেমিস্টারের এক্সচেঞ্জ কিংবা গরমের ভাষা কোর্স—লাগবে X2। Embassy of China in Bangladesh তাদের প্রকাশিত ভিসা নোটিশে এটা স্পষ্ট করেই লিখেছে। পার্থক্যটা যত সহজ শোনায়, ততটা নয়। কারণ X1 কিন্তু আপনার থাকার কাগজ নয়; এটা একবার ঢোকার অনুমতি, যেটা পৌঁছানোর পর residence permit-এ বদলে নিতে হয়।
| বিষয় | X1 ভিসা | X2 ভিসা |
|---|---|---|
| পড়ার মেয়াদ | ১৮০ দিনের বেশি | ১৮০ দিন বা কম |
| JW201 / JW202 | লাগবে | লাগবে |
| Admission letter | মূল কপি | মূল কপি |
| Residence permit | হ্যাঁ, পৌঁছানোর পর | না |
| সাধারণত কারা | পূর্ণ ডিগ্রি | এক্সচেঞ্জ, ভাষা কোর্স |
এই লেখা যাঁরা পড়ছেন—স্নাতক, স্নাতকোত্তর, MBBS কিংবা PhD—তাঁদের প্রায় সবাই X1-এর পথেই যাবেন।
China স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ব্যাংকে কত টাকা দেখাতে হয়?
নিজ খরচে পড়তে যাওয়া X1 আবেদনকারীর জন্য দূতাবাসের প্রকাশিত শর্ত হলো, ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেখাতে হবে China-তে পড়ার প্রতি বছরের জন্য অন্তত ২,৫০০ US ডলার। যাঁরা স্কলারশিপ পেয়েছেন, তাঁরা ব্যাংক স্টেটমেন্টের বদলে স্কলারশিপের প্রমাণ জমা দেবেন।
অঙ্কটা আরেকবার দেখুন, কারণ এখানেই হিসাব বদলে যায়। এই ব্লগে এ পর্যন্ত পনেরোটির বেশি দেশ নিয়ে লেখা হয়েছে, আর ব্যাংকে দেখানোর অঙ্ক ঘুরেছে Estonia-র বছরে প্রায় ১০,৫৬০ ইউরো থেকে Czech Republic-এর ১,১৫,৮১০ চেক ক্রাউন পর্যন্ত। China-র প্রকাশিত অঙ্কটা বর্তমান রেটে মোটামুটি ৩ লাখ টাকা—ইউরোপের তুলনায় ভগ্নাংশমাত্র। মধ্যবিত্ত একটা বাংলাদেশি পরিবারের কাছে এই পার্থক্যটাই অনেক সময় "পারব না" আর "পারব"-এর মাঝের দূরত্ব।
আবেদনের আগে যাচাই করে নিন। ২,৫০০ ডলারের অঙ্কটা এসেছে Embassy of China in Bangladesh-এর নিজস্ব ভিসা নোটিশ থেকে, যেটির তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ওই একই পাতায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ছাড়ের একটা শর্ত আছে যেটির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এই শেষ হয়ে গেছে—অর্থাৎ পাতাটা লাইন ধরে ধরে হালনাগাদ হয় না। তাই ২,৫০০ ডলারকে ন্যূনতম ধরুন, স্বস্তিদায়ক লক্ষ্য নয়। টাকা সরানোর আগে চলতি শর্তটা মিলিয়ে নিন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন করবেন ঢাকায়, নাকি দিল্লিতে?
ঢাকায়। কম খরচের যত দেশ নিয়ে আমরা কাজ করেছি, তার প্রায় সবার তুলনায় China-র সবচেয়ে বড় বাস্তব সুবিধা এটাই। Chinese Visa Application Service Center-এর ঠিকানা ৩য় তলা, Praasad Trade Center, ৬ কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, বনানী। খোলা থাকে রবি থেকে বৃহস্পতিবার; আবেদন ও ফি জমা সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা, আর পাসপোর্ট ফেরত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা।
তবে একটা ধাপ আছে, যেটা ঢাকার বেশিরভাগ কনসালটেন্সির পাতায় নেই। আবেদন প্রথমে অনলাইনে জমা হয় visaforchina.cn-এ, তারপর হয় প্রাথমিক যাচাই। সেই যাচাইয়ের ফল কয়েক রকম হতে পারে—অনুমোদিত, "সংশোধন করতে হবে", "বাড়তি কাগজ দিতে হবে", কিংবা "ভিডিও ইন্টারভিউয়ের সময় নিন"। শেষেরটি এলে আপনাকে সময় নিয়ে দূতাবাসে গিয়ে সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে হবে, তারপরই পাসপোর্ট জমা দেওয়া যাবে।
তাই সৎ উত্তরটা হলো, China শুধু কাগজপত্রের রাস্তা নয়। এটা ঢাকার রাস্তা, যার ভেতরে ইন্টারভিউয়ের সম্ভাবনা গাঁথা আছে।
ঢাকার Chinese Embassy কোন কোন কাগজ চায়?
উচ্চশিক্ষার X1 আবেদনকারীর জন্য দূতাবাসের তালিকাটা ছোট। আর ছোট বলেই ভুলগুলো ধরা পড়ে যায়—আড়াল করার মতো বাড়তি কিছু থাকে না।
- Confirmation Form for Study in China—স্কলারশিপ হলে JW201, নিজ খরচে হলে JW202; মূল কপির সঙ্গে ভালো মানের ফটোকপি
- China-র প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া admission letter-এর মূল কপি, সঙ্গে ফটোকপি
- স্কলারশিপ থাকলে তার প্রমাণপত্র; না থাকলে বছরে অন্তত ২,৫০০ ডলার দেখানো ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- পাসপোর্ট, পূরণ করা অনলাইন ফর্ম আর ভিসা সেন্টারে দেওয়া বায়োমেট্রিক তথ্য
খেয়াল করুন, দূতাবাস কোন দুটি কাগজকে মূল কপি বলে চিহ্নিত করেছে—JW ফর্ম আর admission notice। এ দুটি ভিসা সেন্টারের কাউন্টারে দেখাতেই হবে। তালিকার বাকি সবকিছু ফটোকপিতে চলে।
JW201/JW202 ইস্যু হয় China-তে, আপনার ভর্তি নিশ্চিত ও নিবন্ধিত হওয়ার পর, প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। বাংলাদেশ থেকে এটা ডাউনলোড করা যায় না, কেনা যায় না, তাড়াতাড়িও করানো যায় না। সত্যিকারের ভর্তি ছাড়া কেউ যদি বলে তারা JW202 "ব্যবস্থা করে দেবে", তখনই ওই অফিস থেকে উঠে চলে আসা উচিত।
China-র জন্য apostille কি কাজ করে?
হ্যাঁ। আর এটা সত্যিই স্বস্তির খবর, কারণ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জন্য কাজ করে না। ১৯৬১ সালের Apostille Convention বাংলাদেশের জন্য কার্যকর হয়েছে ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে, আর China-র জন্য ৭ নভেম্বর ২০২৩ থেকে। বাংলাদেশের যোগদানে China আপত্তি জানায়নি, ফলে দুই দেশের মধ্যে কনভেনশনটি কার্যকর।
বাস্তবে এর মানে, আপনার শিক্ষাগত কাগজপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের e-apostille-এ গিয়েই শেষ হবে; আগের মতো MOFA সত্যায়নের পর দূতাবাসের legalisation আর লাগবে না। তুলনা করুন Estonia-র সঙ্গে—তারা আপত্তি জানিয়েছিল, তাই আজও বাংলাদেশি কাগজ কোপেনহেগেনের বাংলাদেশ দূতাবাস ঘুরে আসতে হয়, যাতে শিক্ষার্থীর কয়েক সপ্তাহ চলে যায়।
নীতি এক জিনিস, আর নির্দিষ্ট অফিসের চাহিদা আরেক জিনিস। China-র বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা প্রাদেশিক exit-entry ব্যুরো এখনো কোনো কাগজ বিশেষ ফরম্যাটে বা চীনা ভাষায় সত্যায়িত অনুবাদসহ চাইতে পারে। সত্যায়নের পেছনে টাকা খরচের আগে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদাটা লিখিতভাবে জেনে নিন।
China-তে পৌঁছানোর প্রথম ৩০ দিনে কী করতে হয়?
X1 কোনো residence permit নয়। এটা আপনাকে বিমানবন্দর পার করায়, আর তারপরই একটা ঘড়ি চালু হয়ে যায়। দেশে ঢোকার ৩০ দিনের মধ্যে স্থানীয় Public Security Bureau-র Exit-Entry Administration থেকে এটিকে স্টুডেন্ট residence permit-এ বদলে নিতে হবে।
China-তে পড়ার সময় কি পার্ট-টাইম কাজ করা যায়?
খুব সামান্য, আর প্রথম বছরে একেবারেই নয়। "China-তে পড়ো আর কাজ করো"—এই কথাটা ঠিক এখানেই ভেঙে পড়ে।
China-তে স্কুল-তত্ত্বাবধানে একটা সীমিত ব্যবস্থা আছে, নাম Work to Support Study। যোগ্য হতে হলে আপনার প্রথম বছরের পড়া শেষ হতে হবে, স্টাডি ভিসার মেয়াদ অন্তত ছয় মাস বাকি থাকতে হবে, বয়স ১৮-র বেশি হতে হবে, রেকর্ড পরিষ্কার থাকতে হবে, আর নিজের বিভাগের সম্মতি লাগবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় সম্মতিপত্র দেয়, আর তখনই Exit-Entry Administration-এ গিয়ে residence permit-এ একটি অনুমোদন যুক্ত করাতে হয়। ওই অনুমোদন ছাড়া যেকোনো কাজই অবৈধ।
| সময় | সপ্তাহে | মাসে |
|---|---|---|
| ক্লাস চলাকালে | ৮ ঘণ্টা | ৪০ ঘণ্টা |
| শীত ও গ্রীষ্মের ছুটিতে | ১৬ ঘণ্টা | ৮০ ঘণ্টা |
| পড়ার প্রথম বছরে | অনুমতি নেই | অনুমতি নেই |
দ্বিতীয় বছর থেকে সপ্তাহে আট ঘণ্টা, তা-ও কাগজপত্র আর বিমার শর্ত মেনে। এটা হাতখরচের সহায়তা, ডিগ্রির খরচ তোলার উপায় নয়। কোনো কনসালটেন্সি যদি বাংলাদেশি পরিবারকে বলে যে শিক্ষার্থী China-তে কাজ করে "নিজের খরচ চালিয়ে নেবে", তারা এমন কিছু বলছে যা নিয়ম অনুমোদন করে না।
ভিসা এজেন্সি নিয়ে Chinese Embassy কী বলে?
এই অংশটুকু প্রতিটি বাংলাদেশি পরিবারের পড়া দরকার—কারও সঙ্গে চুক্তি করার আগে, আমাদের সঙ্গেও।
দূতাবাস লিখেছে, তারা কোনো এজেন্সিকে "একচেটিয়া ভিসা আবেদন সেবাদাতা হিসেবে অনুমোদন, মনোনয়ন বা সুপারিশ করেনি"। কোনো এজেন্সি বা ব্যক্তি বাণিজ্যিক ভিসা সেবার জন্য দূতাবাসের পরিচয় ব্যবহার করলে "আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে"। আবেদনকারীদের সরাসরি বলা হয়েছে, "আবেদন-জটিলতা বা বাড়তি ফি নিয়ে ছড়ানো গুজব উপেক্ষা করুন"। অভিযোগের ঠিকানাও দেওয়া আছে: [email protected]।
দূতাবাস আরও এগিয়ে এজেন্সিদের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে—প্রাথমিক যাচাইয়ে বাতিল হলে ৩ কর্মদিবসের মধ্যে কাগজ ঠিক করা, অনুমোদনের পর ২ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট ভিসা সেন্টারে জমা দেওয়া, আর ভিসা সংগ্রহের ১ কর্মদিবসের মধ্যে আবেদনকারীর হাতে পৌঁছে দেওয়া। যারা এই সময়সীমা মানবে না, তাদের "আবেদন জমা দেওয়া স্থগিত করা হবে"।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি তা হলো, পরিবারগুলো এই সময়সীমাগুলোর কথা জানেই না। ফলে ধীরগতির এজেন্সি আর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যে তফাত করতে পারে না। এখন আপনি পারবেন। অনুমোদনের পরও যদি আপনার ফাইল কারও কাছে দুই সপ্তাহ পড়ে থাকে, দূতাবাস অন্তত সেভাবে চলার কথা বলেনি।
CSC স্কলারশিপ কীভাবে হিসাবের মধ্যে আসে?
এত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী China-তে যান মূলত স্কলারশিপের কারণেই। Chinese Government Scholarship বা CSC পরিচালিত হয় campuschina.org-এর মাধ্যমে, আর মোটা দাগে দুটি পথ আছে: দ্বিপাক্ষিক প্রোগ্রাম, যেখানে ঢাকার Chinese Embassy আগে বাছাই করে মনোনয়ন পাঠায়; আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রাম, যেখানে আপনি সরাসরি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেন।
প্রচলিতভাবে বলা হয়, এতে টিউশন, ক্যাম্পাসের আবাসন, চিকিৎসা বিমা আর মাসিক ভাতা থাকে—ভাতার অঙ্ক সাধারণত স্নাতকে ২,৫০০ ইউয়ান, স্নাতকোত্তরে ৩,০০০ আর PhD-তে ৩,৫০০ বলে উল্লেখ করা হয়। আবেদনের সময় সাধারণত জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে, আর দূতাবাসের পথটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে আগেই বন্ধ হয়ে যায়।
২০২৭ চক্রের জন্য অনিশ্চিত। ভাতার হার, কী কী অন্তর্ভুক্ত আর শেষ তারিখ—সবই প্রতি বছর নতুন করে নির্ধারিত হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ও দূতাবাসের পথভেদে বদলায়। লেখার সময় campuschina.org থেকে ২০২৭ সালের সংখ্যাগুলো মেলানো যায়নি, তাই ওপরের অঙ্কগুলোকে ইঙ্গিত হিসেবে ধরুন। আপনার intake-এর জন্য অফিসিয়াল পোর্টাল আর দূতাবাসের ঘোষণা দেখে তবেই পরিকল্পনা করুন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত Yao Wen-এর বরাতে বলা হয়, এখন প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী China-তে পড়ছেন। সরকারি কোনো প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সঙ্গে আমরা এটি মেলাতে পারিনি, তাই সংখ্যাটি নিশ্চিত নয়—উদ্ধৃত মন্তব্য হিসেবেই ধরুন। তবে ধারাটা কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
একটা সংখ্যা আমরা পড়তে পারিনি। বাংলাদেশের জন্য চলতি ভিসা ফি-র তালিকা ঢাকার ভিসা সেন্টার প্রকাশ করে ছবি হিসেবে, লেখা আকারে নয়। যে অঙ্কের সূত্র দিতে পারব না, সেটা আমরা লিখব না। তবে কাঠামোটা বলতে পারি: আপনার মোট খরচ = দূতাবাসের ভিসা ফি + সেন্টারের নিজস্ব সার্ভিস ফি, আর সার্ভিস ফি ডলারের রেটের সঙ্গে ওঠানামা করে। চলতি অঙ্কটা কাউন্টারে জিজ্ঞেস করে নিন, আর যে হিসাব এই দুটোকে আলাদা করে দেখায় না, সেটাকে সন্দেহ করুন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে Japan স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭ · বাংলাদেশ থেকে Estonia স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭
এই লেখাটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ গবেষণা, Eduvisa এখন China-র ফাইল প্রসেস করে—এমন কোনো প্রতিশ্রুতি নয়। আমাদের প্রসেসিং সেবা Malta, Italy, UK, Malaysia আর Cyprus নিয়ে। দেশভিত্তিক গবেষণা আমরা প্রকাশ করি, কারণ শিক্ষার্থীরা জানতে চান—আর এসব রুট নিয়ে বাজারে ছড়ানো তথ্যের বড় অংশই ভুল।
আপনার ফাইল আসলেই তৈরি তো?
China-র রুটে পরিষ্কার আর সৎ ফাইল সুবিধা পায়, আর ফোলানো ফাইল ভোগায়। আপনার ফাইলটা কোনটা, সেটা কোনো ব্লগ বলে দিতে পারে না। সার্টিফিকেট, ব্যাংকের কাগজ আর পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা নিয়ে আমাদের অফিসে আসুন—একটা একটা করে কাগজ দেখে আমরা আপনার সঙ্গে বসব।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →