বাংলাদেশে জর্জিয়া নিয়ে লেখা প্রায় প্রতিটি পাতাই একটি পিডিএফ থেকে টুকে দেয়। সেটি আছে জর্জিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে, নাম D3 study visa requirements, আর দেখলে মনে হয় এটিই চূড়ান্ত তালিকা। দুই নম্বর লাইনটা পড়ুন: "valid UAE Residency ID (Emirates ID) or valid multi-entry UAE visa"। এটি লেখা হয়েছিল আমিরাতে থাকা আবেদনকারীদের জন্য। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে আবেদন করেন, বাজারে সবচেয়ে বেশি কপি হওয়া জর্জিয়ার তালিকাটি আসলে আপনার তালিকা নয়।
D3 স্টুডেন্ট ভিসার জন্য জর্জিয়া টাকার কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রকাশ করে না। আইন বদলে দিয়েছে একটি সূত্র: আবেদনের দিন জর্জিয়ায় নির্ধারিত ন্যূনতম জীবনধারণ মজুরির পাঁচ গুণ। কনস্যুলার ফি ২০ মার্কিন ডলার, দীর্ঘমেয়াদি ভিসার সিদ্ধান্ত হতে ৩০ দিন, আর D3 দেওয়া হয় ৯০ দিনের জন্য, মাল্টিপল এন্ট্রিতে — এ কারণেই পৌঁছানোর পরের রেসিডেন্স পারমিট ভিসার চেয়েও বেশি জরুরি। বাংলাদেশে জর্জিয়ার দূতাবাস নেই; আপনাকে দেখে নয়াদিল্লি।
জর্জিয়া আসলে একজন শিক্ষার্থীর কাছে কত টাকা দেখতে চায়?
এমন একটি অঙ্ক, যা কেউ আগে থেকে বলে দিতে পারবে না — কারণ জর্জিয়া ইচ্ছে করেই কোনো অঙ্ক বসায়নি। জর্জিয়ান ভিসা পরিচালনাকারী সরকারি অধ্যাদেশ নং ২৮০ (২৩ জুন ২০১৫) অনুচ্ছেদ ১৯(৩)-এ লেখা আছে, দীর্ঘমেয়াদি জর্জিয়ান ভিসার জন্য ন্যূনতম পর্যাপ্ত অর্থ হবে "আবেদন জমার দিন জর্জিয়ায় নির্ধারিত ন্যূনতম জীবনধারণ মজুরির পাঁচ গুণ"।
ওই ভিত্তি অঙ্কটি জর্জিয়ার জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর Geostat প্রতি মাসে প্রকাশ করে। ফলে মাপকাঠিটা প্রতি মাসেই নড়ে, আর সেটি বাঁধা আছে জর্জিয়ার জীবনযাত্রার খরচের সঙ্গে — কোনো দূতাবাসের বেছে নেওয়া সংখ্যার সঙ্গে নয়।
Geostat থেকে আমরা যে সর্বশেষ সংখ্যাটি পেয়েছি, সেটি কর্মক্ষম পুরুষের জন্য ডিসেম্বর ২০২৫-এর জীবনধারণ ব্যয়: ২৮৩.৩০ লারি। এর পাঁচ গুণ দাঁড়ায় ১,৪১৬.৫০ লারি, অর্থাৎ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দরে (১ লারি ≈ ৪৭.৩১ টাকা) প্রায় ৬৭,০০০ টাকা। একে অঙ্কের মাপ বোঝার উদাহরণ হিসেবে দেখুন, শর্ত হিসেবে নয়। দুটি কারণে এটি উদ্ধৃত করার মতো সংখ্যা নয়: Geostat একাধিক সিরিজ প্রকাশ করে (কর্মক্ষম পুরুষ, গড় ভোক্তা, গড় পরিবার) আর অধ্যাদেশ কোনটির কথা বলছে তা কোনো সরকারি পাতায় লেখা নেই; আর ২০২৬ সালের মাসিক সংখ্যাগুলো আমরা আদৌ বের করতে পারিনি। আপনার তারিখের জন্য কোন সিরিজ ও কোন মাস প্রযোজ্য, মিশনের কাছেই জেনে নিন।
তাহলে বাংলাদেশি আবেদনকারীর আসল কাগজের তালিকা কী?
আইনের তালিকা, আমিরাতের পিডিএফের নয়। অধ্যাদেশ নং ২৮০-র অনুচ্ছেদ ১৯(১) বলছে যেকোনো ভিসা আবেদনকারী কী জমা দেবেন: ভিসা আবেদন; ভ্রমণ দলিল; কনস্যুলার ফি দেওয়ার প্রমাণ; কেউ আপনার পক্ষে জমা দিলে তার প্রতিনিধিত্বের প্রমাণ; আগের অবৈধ অবস্থানের জরিমানা দেওয়ার প্রমাণ; এবং পাঁচটি বিষয়ের দলিল — ভ্রমণের উদ্দেশ্য, যাত্রা ও অবস্থানকালের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ, ভ্রমণ বিমা, জর্জিয়ায় থাকার জায়গা আছে এই তথ্য, আর ট্রানজিট হলে গন্তব্য দেশে ঢোকার নিশ্চয়তা।
D3-এর ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের প্রমাণ হিসেবে আমিরাতের পিডিএফ যা খুলে লিখেছে আর আইন যা লেখেনি, সেটি হলো: জর্জিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির চিঠি, আপনার ভর্তি-সংক্রান্ত শিক্ষা ও বিজ্ঞানমন্ত্রীর আদেশ, এবং প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও ইংরেজি মাধ্যম অনুষদের তালিকা-সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের আদেশ। এই তিনটি সত্যিই কাজের। আমিরাতের রেসিডেন্সির লাইনটি নয়।
- পূরণ করা ভিসা আবেদন ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি ই-আবেদন রিপোর্ট
- জাতীয় পাসপোর্ট ও কপি
- জর্জিয়ান প্রতিষ্ঠানের ভর্তির চিঠি
- আপনার ভর্তি নিয়ে শিক্ষা ও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের আদেশ
- প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও ইংরেজি মাধ্যম অনুষদের তালিকা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের আদেশ
- ভিসার মেয়াদজুড়ে ভ্রমণ বিমা
- অর্থের প্রমাণ — সহায়তার চিঠি বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- জর্জিয়ায় থাকার জায়গার প্রমাণ
- একটি বায়োমেট্রিক ছবি
- কনস্যুলার ফির রসিদ — ২০ মার্কিন ডলার
জর্জিয়ার সরকারি ই-ভিসা পোর্টালের দেশের তালিকায় বাংলাদেশ আছে, এমনকি উদ্দেশ্য হিসেবে "Study and Training (under 90 days)"-ও দেখায়। খরচ ২০ ডলার আর ২% সার্ভিস ফি, সময় "not less then 5 working days"। এর কোনোটিই একে ডিগ্রির পথ বানায় না। অধ্যাদেশ নং ২৮০-র অনুচ্ছেদ ১৬(৩) ই-ভিসা পোর্টালকে বেঁধে দিয়েছে C ক্যাটাগরির স্বল্পমেয়াদি ভিসায়, আর পোর্টাল নিজেই বলছে এটি কেবল স্বল্প অবস্থানের জন্য। D3 হলো D ক্যাটাগরির দীর্ঘমেয়াদি ভিসা, এই পথে সেটি ইস্যু হয় না। ওখানকার "study" ঘরটি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের, ভর্তির নয়।
বাংলাদেশি আবেদনকারী আসলে কোথায় আবেদন করবেন?
নয়াদিল্লিতে। জর্জিয়ার ভিসামুক্ত তালিকায় বাংলাদেশ নেই — ৫ জুন ২০১৫-র অধ্যাদেশ নং ২৫৫-তে যেসব দেশের নাগরিক ভিসা ছাড়া ঢুকতে পারেন তাঁদের তালিকা আছে, আর বাহরাইন ও বেলারুশের মাঝে বাংলাদেশ নেই। অধ্যাদেশ নং ২৮০-র অনুচ্ছেদ ১২(১)ও স্পষ্ট: "Visas abroad shall be issued by Missions।"
বাংলাদেশে জর্জিয়ার কোনো মিশন নেই। Embassy of Georgia to the Republic of India তাদের নিজেদের কন্টাক্ট পাতায় লিখেছে, দূতাবাসটি "Accredited to the Kingdom of Thailand, Democratic Socialist Republic of Sri-Lanka, People's Republic of Bangladesh and Federal Democratic Republic of Nepal"। ঠিকানা 169 Jor Bagh, New Delhi – 110003, ফোন +91 11 4949 6000 ও +91 11 4050 1424।
এই এক লাইনের একটা খরচ আছে, যেটি বাংলাদেশি পরিবারগুলো খুব কমই হিসাবে রাখে: দিল্লিতে জমা দেওয়া জর্জিয়ান স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আগে একটি ভারতীয় ভিসা লাগতে পারে — মানে আরেকটি আবেদন, আরেকটি সময়সীমা, আর আপনার জর্জিয়ান আবেদনের ভেতরে বসে থাকা আরেকটি রিফিউজালের ঝুঁকি।

ভিসাটা আসলে কী দেয় — আর ৯০ দিন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
অধ্যাদেশ নং ২৮০-র অনুচ্ছেদ ৪(৬) বলছে, দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেওয়া হয় মাল্টিপল এন্ট্রির অধিকারসহ "৯০ ক্যালেন্ডার দিন বা এক বছরের" জন্য, আর তারপর যোগ করে সেই বাক্যটি যা সব ঠিক করে দেয়: "এক বছর মেয়াদের দীর্ঘমেয়াদি ভিসা কেবল D5 ক্যাটাগরির ভিসার ক্ষেত্রেই দেওয়া হবে।" D5 হলো অভিবাসন ক্যাটাগরি। D3 নয়।
দুটি বাক্য একসঙ্গে পড়লে — আর এটি অধ্যাদেশ নিয়ে আমাদের পাঠ, জর্জিয়ার ছাপা কোনো লাইন নয় — D3 স্টাডি ভিসা চলে ৯০ ক্যালেন্ডার দিনের মেয়াদ ও অবস্থানে, মাল্টিপল এন্ট্রিতে। তিন-চার বছরের ডিগ্রি ৯০ দিনে ধরে না। তাই আপনাকে জর্জিয়ায় রাখে ভিসা নয়, রাখে রেসিডেন্স পারমিট।
রেসিডেন্স পারমিটের সময়সীমা কী, আর শিক্ষার্থীরা কেন সেটি মিস করেন?
কারণ এটি গোনা হয় পেছন থেকে, সামনে থেকে নয়। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪-র সরকারি অধ্যাদেশ নং ৫২০ — যেটি সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছে ২৬ আগস্ট ২০২৬-এর অধ্যাদেশ নং ৪১৬ দিয়ে — বলছে আবেদন জমা দিতে হবে আপনার বৈধ অবস্থান শেষ হওয়ার ৪০ ক্যালেন্ডার দিন আগে। পৌঁছানোর চল্লিশ দিন পরে নয়। ৯০ দিনের D3-তে এর মানে দাঁড়ায় প্রায় পঞ্চাশতম দিনের মধ্যেই জমা দেওয়া — যখন আপনি নতুন দেশে সবে পা জমাচ্ছেন।
পারমিট ইস্যু করে Public Service Development Agency, পাবলিক সার্ভিস হলের মাধ্যমে, আর ফি পুরোপুরি নির্ভর করে আপনি কত দ্রুত চান তার ওপর।
| সেবা | ফি | টাকায় |
|---|---|---|
| ৩০তম দিন | ৩০০ লারি | ≈ ১৪,২০০ টাকা |
| ২০তম দিন | ৪৫০ লারি | ≈ ২১,৩০০ টাকা |
| ১০ম দিন | ৬০০ লারি | ≈ ২৮,৪০০ টাকা |
টাকার হিসাব ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ১ লারি ≈ ৪৭.৩১ টাকা ধরে আমাদের করা, আর দর বদলাবে। আলাদাভাবে, Law on the Legal Status of Aliens-এর অনুচ্ছেদ ১৭(৭) পর্যালোচনার সময় বেঁধে দিয়েছে "সব প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়ার দিন থেকে" ৩০ দিনে — এটি প্রক্রিয়ার সর্বোচ্চ সীমা, দ্রুত স্তরগুলোর প্রতিশ্রুতি নয়।
ভিসার ফান্ড পরীক্ষায় পাস করা মানেই রেসিডেন্স পারমিটের ফান্ড পরীক্ষায় পাস নয়। অধ্যাদেশ নং ৫২০ চায় বৈধ আয়ের প্রমাণ, মাসে জর্জিয়ার ন্যূনতম জীবনধারণ ব্যয়ের অন্তত দ্বিগুণ। আলাদা গুণিতক, আলাদা ধাপ, ভিত্তি সেই একই Geostat — আর আপনার নিজের জর্জিয়ান ব্যাংক হিসাবে রাখা টাকাও আয় হিসেবে ধরা যেতে পারে। দুটির জন্যই পরিকল্পনা করুন, একটির নয়।
বাংলাদেশি সনদে কি অ্যাপোস্টিল লাগবে, না দূতাবাসের সিল?
অ্যাপোস্টিল — আর এটি সেই বিরল দেশগুলোর একটি যেখানে উত্তরটা নিছক সুখবর। হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন জর্জিয়ায় কার্যকর হয়েছে ১৪ মে ২০০৭ থেকে। বাংলাদেশের জন্য কনভেনশনটি কার্যকর হয়েছে ৩০ মার্চ ২০২৫-এ, আর বাংলাদেশের যোগদানে যে বারোটি রাষ্ট্র আপত্তি জানিয়েছিল, জর্জিয়া তাদের মধ্যে নেই। দুই দেশের মধ্যে সংযোগটি সচল, তাই বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিল জর্জিয়ার জন্য কাজ করে এবং পুরোনো দূতাবাস-লিগ্যালাইজেশনের শিকল লাগে না।
একটি কাজ তবু বাকি থাকে। জর্জিয়ার শিক্ষা ও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয় ২৯ ডিসেম্বর ২০১১-র আদেশ নং ২২৪/N উল্লেখ করে বলছে, বিদেশি ভাষার দলিল জর্জিয়ান ভাষায় অনুবাদ করে নোটারি দিয়ে সত্যায়িত করতে হবে। অ্যাপোস্টিল, তারপর অনুবাদ, তারপর নোটারি। সময়টা হিসাবে রাখুন।
বিদেশি শিক্ষার্থীরা ভর্তি হন কীভাবে?
জর্জিয়ার জাতীয় পরীক্ষার মধ্য দিয়ে নয়। বিদেশি আবেদনকারীরা Unified National Examinations থেকে অব্যাহতি পান, আর আবেদন যায় মন্ত্রণালয়ে নয়, যায় National Centre for Education Quality Enhancement-এ — আলেক্সিদজে স্ট্রিট #১, তিবিলিসি, +995 32 2 200 220। কেন্দ্রটি চায় আপনার নাগরিকত্বের দলিলের প্রতিটি পৃষ্ঠার কপি, স্কুল ছাড়ার সনদ, আর আপনি যে অনুষদ ও বিষয়ে যাচ্ছেন তার নাম উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানের লিখিত সম্মতিপত্র।
জর্জিয়ায় বাংলাদেশি পরিবারগুলো যায় মূলত চিকিৎসাশাস্ত্র পড়তে, আর আমাদের কাছে যে প্রশ্নগুলো আসে সেগুলো প্রায় কখনোই ভিসা ফরম নিয়ে নয়। প্রশ্নগুলো হলো — প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই স্বীকৃত তো, অ্যাকাউন্টের টাকাটা পরিবারের নিজের বলে পড়া যাবে তো, আর তিন নম্বর মাসে কী হবে। জর্জিয়ার ফাইল এই তিন উত্তরেই ঠিক হয়, আর কাগজ না দেখে এর কোনোটিরই সৎ উত্তর দেওয়া যায় না।
যা আমরা যাচাই করতে পারিনি, খোলাখুলি বলছি। কোনো .gov.ge পাতায় বাংলাদেশের জন্য আলাদা D3 তালিকা নেই — mfa.gov.ge-তে থাকা একমাত্র D3 তালিকাটি আমিরাতে থাকা আবেদনকারীদের জন্য লেখা, আর দিল্লি দূতাবাসের ভিসা-তথ্যের পাতাটি ৪০৪ দেখায়। দিল্লি বাংলাদেশ থেকে ডাকযোগে আবেদন নেয় কি না, আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার হটলাইন +995 32 2 94 50 50। শিক্ষার্থীর কাজের অধিকার: আমরা পৌঁছাতে পেরেছি এমন কোনো জর্জিয়ান সরকারি সূত্রে কাজের অধিকার, ঘণ্টার সীমা বা শিক্ষার্থীর ওয়ার্ক পারমিটের কথা লেখা নেই। Law on the Legal Status of Aliens শুধু বলে "labour activities of aliens shall be governed by the legislation of Georgia"; স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি পাতা ৪০৩ দিয়েছে। জর্জিয়ার জন্য বহুল প্রচলিত "সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা" কথাটির কোনো সরকারি সূত্র আমরা পাইনি — তাই সেটি আমরা লিখছি না। ই-ভিসা পোর্টালে ১৫ ডলারের একটি "DuVerify" ধাপও দেখায়, যার আইনি ভিত্তি আমরা খুঁজে পাইনি; একে অনিশ্চিত ধরুন। উপরের অধ্যাদেশগুলো ইংরেজি অনুবাদে পড়া, যা জর্জিয়ান মূল পাঠের চেয়ে পুরোনো হতে পারে। সব সূত্র পড়া হয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ।
সরকারি সূত্র: অধ্যাদেশ নং ২৮০ — জর্জিয়ান ভিসা পদ্ধতি · Public Service Development Agency — রেসিডেন্স পারমিট · HCCH অ্যাপোস্টিল স্ট্যাটাস টেবিল
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে জর্জিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা · বাংলাদেশি শিক্ষাসনদে অ্যাপোস্টিল
জর্জিয়া ভাবছেন? আগে স্বীকৃতির আদেশটা নিয়ে আসুন।
জর্জিয়ার ফাইল ঠিক করে দুটি জিনিস: প্রতিষ্ঠানের মন্ত্রণালয়-আদেশটি আসল কি না, আর আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট পরিবারের নিজের টাকা বলে পড়া যাবে কি না। আবেদনে টাকা খরচের আগেই আমরা আপনার সঙ্গে বসে দুটোই দেখে নেব — আর রেসিডেন্স পারমিট পর্যন্ত পাশে থাকব, যেখানে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে একা ছেড়ে দেওয়া হয়।
ফ্রি পরামর্শ নিন →