মূল অংশে যান
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশ থেকে কম খরচে মালদ্বীপ ২০২৭: ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ভিসা, খরচ ও ৪ দিনের প্ল্যান

শর্ত পূরণ করলে মালদ্বীপ সব দেশের নাগরিককে ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়। অফিসিয়াল নিয়ম, ফ্রি IMUGA ফর্ম, লোকাল আইল্যান্ডের খরচ ও ৪ দিনের প্ল্যান।

প্রকাশিত 14 Oct, 2026 ["maldives"]

Read in English →
বাংলাদেশ থেকে কম খরচে মালদ্বীপ ২০২৭: ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ভিসা, খরচ ও ৪ দিনের প্ল্যান
বাজেট ভ্রমণ · মালদ্বীপ
মালদ্বীপ সব দেশের নাগরিককে ৩০ দিনের ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেয়। দেখতে শুধু বিলাসী গন্তব্য মনে হলেও লোকাল আইল্যান্ডের গেস্টহাউসে থাকলে মাঝারি বাংলাদেশি বাজেটেও সম্ভব।
ফ্রি
৩০ দিনের অন-অ্যারাইভাল ট্যুরিস্ট ভিসা
~২ ঘণ্টা
ঢাকা–মালে সরাসরি ফ্লাইট
ডিসে–এপ্রিল
শুকনো মৌসুম
মালদ্বীপের মাফুশি লোকাল আইল্যান্ডের সৈকত ও ফিরোজা পানি
মাফুশি — লোকাল আইল্যান্ড, যেখানে গেস্টহাউসে থেকে মাঝারি বাজেটে মালদ্বীপ ঘোরা যায়। ছবি: Buiobuione, Wikimedia Commons, CC BY-SA 4.0 (cropped).

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসার নিয়ম

বিষয়অফিসিয়াল সূত্রে যা বলা আছে
ভিসার ধরনঅন-অ্যারাইভাল ট্যুরিস্ট ভিসা, সব দেশ, আগাম অনুমোদন লাগে না
পাসপোর্টমেশিন-রিডেবল (MRZ), কমপক্ষে ১ মাস মেয়াদ; মেয়াদ বাড়ানো পাসপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়
বুকিংরেজিস্টার্ড জায়গায় আগাম পরিশোধিত কনফার্মড বুকিং
রিটার্ন টিকিটকনফার্মড রিটার্ন বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট
টাকাথাকার জন্য যথেষ্ট অর্থ
ট্রাভেলার ডিক্লারেশনIMUGA ফর্ম, ফ্রি, আগমনী ফ্লাইটের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে

মালেতে বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের মাঝে মাঝে বেশি প্রশ্ন করা হয়, বিশেষ করে হোটেল বুকিং অপরিশোধিত বা রিটার্ন টিকিট না থাকলে। সব কাগজের প্রিন্ট কপি সাথে রাখুন।

বাজেট ভ্রমণে কত খরচ হয়?

খরচের খাতআনুমানিক পরিসর (জনপ্রতি)
ঢাকা–মালে রিটার্ন ফ্লাইট৳৩৫,০০০–৬০,০০০
লোকাল আইল্যান্ড গেস্টহাউস (মাফুশি, থুলুসধু, হুলহুমালে)রাতপ্রতি US$৪০–৯০ (রুম, প্রায়ই দুজনে ভাগ)
খাবার (লোকাল ক্যাফে)দিনে US$১৫–৩০
পাবলিক ফেরি / স্পিডবোট ট্রান্সফারপাবলিক ফেরি কয়েক ডলার; স্পিডবোট একদিকে US$২৫–৬০
এক্সকারশন (স্নরকেলিং, স্যান্ডব্যাংক ট্রিপ)প্রতি ট্রিপ US$২৫–৬০
রিসোর্টে থাকারাতপ্রতি US$২০০+ — বাজেট ভ্রমণ নয়

খরচগুলো জনপ্রতি Eduvisa-র আনুমানিক পরিকল্পনার পরিসর (অক্টোবর ২০২৬), অনলাইনে দেখা সাধারণ ভাড়া ও দামের ভিত্তিতে — কোটেশন নয়, এবং কোনো অফিসিয়াল ট্যারিফে যাচাই করা নয়। টাকার অঙ্ক বিনিময় হারের সাথে বদলায়। থাকার জায়গায় ট্যুরিস্ট ট্যাক্স ও গ্রিন ট্যাক্স প্রযোজ্য (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।

কখন যাওয়া সবচেয়ে ভালো?

  • ডিসেম্বর–এপ্রিল: শুকনো উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু, শান্ত সাগর, দাম সবচেয়ে বেশি
  • মে–নভেম্বর: দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, বেশি বৃষ্টি ও বাতাস, গেস্টহাউস সস্তা

কম খরচে কী কী দেখবেন?

  • মাফুশি ও থুলুসধু: আলাদা বিকিনি বিচসহ বাজেট লোকাল আইল্যান্ড
  • স্নরকেলিং: প্রবাল, কচ্ছপ, কখনো মান্টা রে
  • স্যান্ডব্যাংক পিকনিক আর সূর্যাস্তে ডলফিন ট্রিপ
  • মালে ও হুলহুমালে: মাছের বাজার, মসজিদ, সৈকতে হাঁটা — প্রথম/শেষ রাতের জন্য সহজ

৪ দিনের বাজেট ভ্রমণসূচি

  • দিন ১: ঢাকা–মালে ফ্লাইট, ফেরি বা স্পিডবোটে মাফুশি
  • দিন ২: স্নরকেলিং ও স্যান্ডব্যাংক এক্সকারশন
  • দিন ৩: সৈকতে দিন, সূর্যাস্তে ডলফিন ট্রিপ
  • দিন ৪: মালে/হুলহুমালে ফেরা, দেশে ফেরা

টাকায় ৪ দিনের মালদ্বীপ ভ্রমণে কত খরচ?

সরাসরি উত্তর: মাফুশির মতো লোকাল আইল্যান্ডে থাকলে ফ্লাইটসহ ৪ দিন ৩ রাতের মালদ্বীপ ভ্রমণে জনপ্রতি মোটামুটি ৳৫৯,০০০–১,২০,০০০ খরচ হয়। ভিসা ফ্রি; আসল খরচ ফ্লাইট, মালে থেকে ট্রান্সফার আর এক্সকারশন। রিসোর্ট একেবারে আলাদা বাজেটের ব্যাপার।

খরচের খাত (৪ দিন ৩ রাত, জনপ্রতি)আনুমানিক (৳)
ঢাকা–মালে রিটার্ন ফ্লাইট৩৫,০০০–৬০,০০০
অন-অ্যারাইভাল ভিসা০
লোকাল আইল্যান্ড গেস্টহাউস, ৩ রাত (টুইন শেয়ার)৭,৫০০–১৬,৫০০
খাবার, ৪ দিন৭,৫০০–১৪,৫০০
স্পিডবোট বা ফেরি ট্রান্সফার, আসা-যাওয়া৩,০০০–১৪,৫০০
দুটি এক্সকারশন (স্নরকেলিং, স্যান্ডব্যাংক)৬,০০০–১৪,৫০০
মোট≈ ৫৯,০০০–১,২০,০০০

শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি US$ প্রায় ৳১২২ ধরে তৈরি। মৌসুম ও বিনিময় হারের সাথে ভাড়া ও দাম বদলায়; এগুলো কোটেশন নয়।

ঢাকা থেকে মালে কোন ফ্লাইটে যাবেন?

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা–মালে সরাসরি ফ্লাইট চালিয়েছে, সময় প্রায় চার ঘণ্টা; এক-স্টপের বিকল্প কলম্বো ও অন্যান্য আঞ্চলিক হাব হয়ে। সরাসরি ফ্লাইট প্রতিদিন নয়, তাই ফ্লাইটের সূচি দেখে গেস্টহাউসের তারিখ ঠিক করুন, উল্টোটা নয়।

  • গেস্টহাউসের টাকা দেওয়ার আগে রিটার্ন টিকিট কাটুন — কনফার্মড রিটার্ন টিকিট প্রবেশের শর্ত।
  • এমন সময়ে পৌঁছান যাতে একই দিনে দ্বীপের স্পিডবোট ধরা যায়।
  • ফ্লাইটের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ফ্রি IMUGA ট্রাভেলার ডিক্লারেশন জমা দিন।
  • মালের ইমিগ্রেশনের জন্য টিকিট, বুকিং ও পেমেন্ট রসিদের প্রিন্ট কপি রাখুন।

মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন অফিসাররা কী দেখেন?

তাঁরা দেখেন আপনি অফিসিয়াল অন-অ্যারাইভাল ভিসার শর্ত পূরণ করছেন কিনা: বৈধ পাসপোর্ট, কনফার্মড রিটার্ন টিকিট, রেজিস্টার্ড ট্যুরিস্ট আবাসনে অগ্রিম পরিশোধিত কনফার্মড বুকিং আর থাকার মতো যথেষ্ট টাকা। মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন এই শর্তগুলো প্রকাশ করেছে, আর প্রবেশের সিদ্ধান্ত হয় বিমানবন্দরে — তাই সাথে থাকা কাগজপত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

  • পাসপোর্ট: মেশিন-রিডেবল, থাকার মেয়াদের পরে অন্তত এক মাস বৈধ।
  • বুকিং: রেজিস্টার্ড গেস্টহাউস বা হোটেলে অগ্রিম পরিশোধিত, রসিদসহ।
  • টাকা: একটি কার্ড ও কিছু US ডলার; অফিসাররা জিজ্ঞেস করতে পারেন খরচ কীভাবে চালাবেন।
  • ডিক্লারেশন: IMUGA-র QR কোড মোবাইলে বা প্রিন্ট করা।

মালে থেকে লোকাল আইল্যান্ডে কীভাবে যাবেন?

পাবলিক ফেরিতে (সবচেয়ে সস্তা, ধীর, প্রতিদিন নয়) অথবা নির্ধারিত স্পিডবোটে (দ্রুত, ঘন ঘন)। সাধারণত গেস্টহাউসই স্পিডবোট বুক করে দেয় এবং বিমানবন্দরের কাছের জেটিতে আপনাকে নিতে আসে।

বিস্তারিত বাজেট ভ্রমণসূচি কেমন হবে?

  • ১ম দিন — মালে পৌঁছানো: ইমিগ্রেশন শেষে শেয়ার্ড স্পিডবোটে মাফুশি, ট্যুরিস্ট বিচে সূর্যাস্ত।
  • ২য় দিন — রিফের দিন: সকালে স্নরকেলিং ট্রিপে রিফের মাছ ও কচ্ছপ, বিকেলে স্যান্ডব্যাংক পিকনিক।
  • ৩য় দিন — আরামের দিন: সৈকত আর সাঁতার, সন্ধ্যায় ডলফিন দেখার নৌকা ভ্রমণ।
  • ৪র্থ দিন — ফেরা: সকালে স্পিডবোটে মালে, সময় থাকলে মালে বা হুলহুমালেতে একটু হাঁটা, তারপর দেশে।

বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?

সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।

  • ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
  • ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও রুফিয়া বা ডলার তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
  • পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
  • বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
  • রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।

নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?

কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।

Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?

  • একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
  • আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
  • বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
  • শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
  • ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।

Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?

প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।

কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?

আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।

মালদ্বীপ সবার জন্য খোলা, তবু প্রবেশের সিদ্ধান্ত এয়ারপোর্টেই হয়। ফ্লাইটের আগে আপনার বুকিং, টিকিট ও টাকার প্রমাণ অফিসিয়াল শর্ত পূরণ করে কিনা আমরা দেখে দিতে পারি, যাতে মালেতে কোনো চমক না থাকে।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশিদের জন্য মালদ্বীপের ভিসা কি ফ্রি?

হ্যাঁ। প্রবেশের শর্ত পূরণ করলে মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন সব দেশের নাগরিককে ফ্রি অন-অ্যারাইভাল ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়।

IMUGA কী?

মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের ফ্রি অনলাইন ট্রাভেলার ডিক্লারেশন, ফ্লাইটের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে imuga.immigration.gov.mv-এ জমা দিতে হয়।

রিসোর্টের বদলে লোকাল আইল্যান্ডে থাকা যায়?

হ্যাঁ। মাফুশি ও থুলুসধুর মতো লোকাল আইল্যান্ডের রেজিস্টার্ড গেস্টহাউসই কম খরচে যাওয়ার উপায়; সেখানে মদ নিষেধসহ স্থানীয় আইন মানতে হয়।

কত নগদ ডলার নেব?

৪ দিনের ভ্রমণে একটি কার্ড আর পরিষ্কার নোটে প্রায় US$২০০–৪০০ এই আনুমানিক পরিকল্পনায় খাবার, ট্রান্সফার ও এক্সকারশন কভার করে।

বাংলাদেশ থেকে প্রথমবার ভ্রমণকারীর জন্য মালদ্বীপ কি নিরাপদ?

এটি জনপ্রিয় প্রথম বিদেশ ভ্রমণ; বুকিং, টিকিট ও টাকার প্রমাণ আগে থেকে প্রস্তুত রাখলেই মালেতে প্রবেশ সহজ হয়।

সম্পর্কিত গাইড: বাংলাদেশ থেকে কম খরচের গন্তব্য · শ্রীলঙ্কা ট্যুরিস্ট ভিসা

কম খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? বুকিংয়ের আগে আমরা আপনার প্ল্যান দেখে দিই।

পাসপোর্ট আর ভ্রমণের আইডিয়া নিয়ে আসুন। একটা ফ্রি আলোচনায় জানিয়ে দেব আপনার পাসপোর্ট, বাজেট ও তারিখের সাথে কোন গন্তব্য মানায়, আর আগে কী প্রস্তুত করতে হবে।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন