মূল অংশে যান
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিয়েতনাম ই-ভিসা ২০২৭: ফি, আবেদন ও খরচ

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিয়েতনাম ই-ভিসা ২০২৭: অফিসিয়াল ফি US$২৫, ৯০ দিন থাকার সুযোগ, ধাপে ধাপে অনলাইন আবেদন আর ৬ দিনের ভ্রমণের টাকার হিসাব।

প্রকাশিত 14 Oct, 2026 vietnam

Read in English →
বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিয়েতনাম ই-ভিসা ২০২৭: ফি, আবেদন ও খরচ

"ভিয়েতনাম ভিসা কি চালু আছে?" — ঢাকায় এখন সবচেয়ে বেশি খোঁজা ভ্রমণ প্রশ্নগুলোর একটি। উত্তর হলো, হ্যাঁ। বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিয়েতনাম ই-ভিসা পুরোপুরি অনলাইনে হয় — দূতাবাসে যেতে হয় না, এজেন্টও লাগে না, আর খরচ গুলশানে দুজনের এক বেলার খাবারের চেয়েও কম। ঝামেলা বাধে নিয়মে নয়, খুঁটিনাটিতে: নকল ওয়েবসাইট, বাতিল হওয়া ছবি, কিংবা ফর্মের সাথে না মেলা হোটেল বুকিং।

US$২৫অফিসিয়াল সিঙ্গেল এন্ট্রি ফি
৯০ দিনই-ভিসার সর্বোচ্চ মেয়াদ
পুরো অনলাইনদূতাবাসে যেতে হয় না
ভিয়েতনামের হা লং বে-র চুনাপাথরের দ্বীপ, বাংলাদেশ থেকে ভিয়েতনাম ই-ভিসায় ভ্রমণের জনপ্রিয় গন্তব্য
হা লং বে — হ্যানয় থেকে একদিন বা এক রাতের জনপ্রিয় ভ্রমণ। ছবি: Thomas Hirsch, Wikimedia Commons, CC BY-SA 3.0 (cropped).

২০২৭ সালে বাংলাদেশিরা কি ভিয়েতনাম ই-ভিসা পান?

হ্যাঁ। ভিয়েতনামের বাইরে থাকা, বৈধ পাসপোর্টধারী এবং ভিয়েতনামের আইনে প্রবেশ নিষিদ্ধ নন — এমন যেকোনো বিদেশিকে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ ই-ভিসা দেয়। বাংলাদেশ এই তালিকার বাইরে নয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে অফিসিয়াল পোর্টাল দুটি সরকারি ডোমেইনে সরে যায় — evisa.gov.vn ও thithucdientu.gov.vn — আর শুধু এই দুটিই আসল। অনেক বেসরকারি সাইট দেখতে হুবহু পোর্টালের মতো, অথচ একই ভিসার জন্য US$৬০–১৫০ নেয়; সরকারি ফি কিন্তু নির্দিষ্ট।

বিষয়অফিসিয়াল নিয়ম
কারা আবেদন করতে পারেনভিয়েতনামের বাইরে থাকা সব বিদেশি
মেয়াদসর্বোচ্চ ৯০ দিন
এন্ট্রিসিঙ্গেল বা মাল্টিপল
ফিসিঙ্গেল US$২৫ · মাল্টিপল US$৫০ (৯০ দিন পর্যন্ত)
প্রত্যাখ্যাত হলে ফেরতনা
কোথায়evisa.gov.vn বা thithucdientu.gov.vn

সাধারণত তিন থেকে পাঁচ কর্মদিবস লাগে (ট্রাভেল সাইটের তথ্য), টেট উৎসবের সময় (জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারি) আরও বেশি। ফ্লাইটের অন্তত দুই সপ্তাহ আগে আবেদন করুন, যাতে ছবি বাতিল হলে ঠিক করার সময় পান।

ভিয়েতনাম ই-ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগে?

ফর্মটা সহজ, তবে প্রতিটি ঘর পাসপোর্টের সাথে হুবহু মিলতে হবে। দুটো ফাইল আপলোড করবেন, বাকিটা টাইপ।

  • পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যান: পরিষ্কার, পুরো পাতা, নিচের মেশিন-রিডেবল লাইনসহ। থাকার মেয়াদের পরও পাসপোর্টের যথেষ্ট মেয়াদ থাকা চাই; এয়ারলাইন সাধারণত ছয় মাসের নিয়ম মানে (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।
  • ছবি: সাম্প্রতিক, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, সোজা মুখ, চশমা ছাড়া। বেশিরভাগ বাতিলের কারণই ছবি।
  • ভ্রমণের তথ্য: প্রবেশের তারিখ, প্রবেশ ও বের হওয়ার বন্দর (যেমন হ্যানয়ের নই বাই, হো চি মিন সিটির তান সন নাত, দা নাং), আর প্রথম হোটেলের ঠিকানা।
  • পেমেন্ট কার্ড: অনলাইন পেমেন্ট চালু করা ইন্টারন্যাশনাল ভিসা বা মাস্টারকার্ড। অনলাইন ব্যবহার চালু করলে বাংলাদেশের অনেক ডুয়াল-কারেন্সি কার্ডেই কাজ হয়।

শেনজেন বা যুক্তরাজ্যের ভিসার মতো এখানে ব্যাংক স্টেটমেন্ট চায় না। তবে ঢাকায় এয়ারলাইনের কর্মী বা ভিয়েতনামের ইমিগ্রেশন রিটার্ন টিকিট ও হোটেল বুকিং দেখতে চাইতে পারে, তাই প্রিন্ট কপি সাথে রাখুন।

অফিসিয়াল পোর্টালে ধাপে ধাপে কীভাবে আবেদন করবেন?

1

অফিসিয়াল সাইট খুলুন

নিজে evisa.gov.vn টাইপ করুন। "vietnam-visa-online" ধরনের নামের সার্চ বিজ্ঞাপন এড়িয়ে চলুন।

2

ই-ভিসার ধরন বাছুন

সিঙ্গেল না মাল্টিপল, আর প্রবেশের তারিখ ও বন্দর।

3

ছবি ও পাসপোর্ট আপলোড

সাইজের নির্দেশনা মানুন; ছবি ঠিকমতো ক্রপ করুন, ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা রাখুন।

4

ব্যক্তিগত ও ভ্রমণের তথ্য দিন

নাম পাসপোর্টের সাথে হুবহু, মাঝের নামসহ; প্রথম হোটেলের ঠিকানা দিন।

5

ফি দিন

ইন্টারন্যাশনাল কার্ডে US$২৫ বা US$৫০। পেমেন্টের পর দেখানো রেজিস্ট্রেশন কোড সেভ করুন।

6

ডাউনলোড ও প্রিন্ট

কোড ও ইমেইল দিয়ে স্ট্যাটাস দেখুন; অনুমোদিত ই-ভিসার PDF প্রিন্ট করে সাথে রাখুন।

ঢাকা থেকে ভিয়েতনাম যেতে টাকায় কত খরচ?

সরাসরি উত্তর: হিসাব করে চললে ফ্লাইটসহ ৬ দিনের হ্যানয়–হা লং ভ্রমণে জনপ্রতি মোটামুটি ৳৭৫,০০০–১,৩০,০০০ লাগে। মাটিতে নেমে ভিয়েতনাম সস্তা; মূল খরচ ফ্লাইট, কারণ ঢাকা থেকে বেশিরভাগ রুট ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর বা সিঙ্গাপুর হয়ে যায় (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।

খাত৳ (আনুমানিক)
ঢাকা–হ্যানয়/হো চি মিন রিটার্ন ফ্লাইট (১ স্টপ)৪৫,০০০–৮০,০০০
ই-ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি)≈৩,১০০
হোটেল, ৫ রাত (বাজেট)৯,০০০–২০,০০০
খাবার, ৬ দিন৬,০০০–১১,০০০
হা লং বে দিনের/রাতের ক্রুজ৫,০০০–১৪,০০০
লোকাল যাতায়াত, সিম, প্রবেশ ফি৪,০০০–৮,০০০
মোট≈ ৭২,০০০–১,৩৬,০০০

শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি US$ প্রায় ৳১২২ ধরে। মৌসুমভেদে ভাড়া বদলায়; এগুলো কোটেশন নয়।

রওনা দেওয়ার আগে ব্যাগে কী কী থাকবে?

  • যথেষ্ট মেয়াদ ও ফাঁকা পাতাসহ পাসপোর্ট
  • অনুমোদিত ই-ভিসার প্রিন্ট (দুই কপি)
  • রিটার্ন বা পরের গন্তব্যের টিকিট
  • অন্তত প্রথম কয়েক রাতের হোটেল বুকিং
  • এনডোর্স করা ডলার আর ইন্টারন্যাশনাল কার্ড
  • ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স (জোরালোভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়)
  • অফলাইন ম্যাপ আর ভিয়েতনামি ভাষায় হোটেলের ঠিকানা ফোনে

প্রথমবার ভিয়েতনামে কোথায় যাবেন?

পুরো দেশ এক সফরে না ঘুরে একটা অঞ্চল বেছে নিন। ভিয়েতনাম লম্বা দেশ — হ্যানয় থেকে হো চি মিন সিটি বিমানে প্রায় দুই ঘণ্টা।

  • উত্তর (হ্যানয় + হা লং বে): ওল্ড কোয়ার্টারের স্ট্রিট ফুড, হোয়ান কিয়েম লেক আর চুনাপাথরের উপসাগর। ভালো সময় অক্টোবর–এপ্রিল।
  • মধ্য (দা নাং + হোই আন): সৈকত, লণ্ঠনে সাজানো হোই আনের পুরোনো শহর, মার্বেল মাউন্টেন। ভালো সময় ফেব্রুয়ারি–আগস্ট।
  • দক্ষিণ (হো চি মিন সিটি + মেকং ডেল্টা): বাজার, যুদ্ধের ইতিহাসের জাদুঘর আর ভাসমান বাজার। সারা বছর গরম, মে–অক্টোবর বৃষ্টি বেশি।
  • হালাল খাবার: হ্যানয়ের ওল্ড কোয়ার্টার আর হো চি মিন সিটির ডিস্ট্রিক্ট ১-এ ভারতীয় ও মালয়েশীয় রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায় (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।

উত্তরে ৬ দিনের নমুনা: ১ম দিন হ্যানয়ে পৌঁছানো; ২য় দিন ওল্ড কোয়ার্টার ও টেম্পল অব লিটারেচার; ৩য়–৪র্থ দিন হা লং-এ রাতের ক্রুজ; ৫ম দিন নিন বিন ঘোরা; ৬ষ্ঠ দিন দেশে ফেরা।

মনে রাখুন: ফর্মে যে প্রবেশ বন্দর বেছে নেবেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভব হলে ই-ভিসায় লেখা বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়েই ঢুকুন, আর অনুমোদনের ইমেইল স্প্যামে চলে গেলে কাজে লাগবে বলে রেজিস্ট্রেশন কোড যত্ন করে রাখুন।

বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?

সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।

  • ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
  • ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও ভিয়েতনামি ডং তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
  • পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
  • বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
  • রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।

নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?

কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।

Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?

  • একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
  • আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
  • বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
  • শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
  • ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।

Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?

প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।

কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?

আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

২০২৭ সালে বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনাম ভিসা কি চালু?

হ্যাঁ। অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল বাংলাদেশসহ সব দেশের নাগরিকের আবেদন নেয়, থাকার সুযোগ সর্বোচ্চ ৯০ দিন।

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিয়েতনাম ই-ভিসার ফি কত?

সরকারি ফি সিঙ্গেল এন্ট্রি US$২৫ আর ৯০ দিন পর্যন্ত মাল্টিপল এন্ট্রি US$৫০; অনলাইনে দিতে হয়, ভিসা না হলে ফেরত নেই।

এজেন্ট বা দূতাবাস কি লাগে?

না। evisa.gov.vn-এ নিজেই আবেদন করা যায়। এজেন্ট বা নকল সাইট শুধু সার্ভিস চার্জ বাড়ায়।

অনুমোদনে কত দিন লাগে?

ট্রাভেল সাইটের তথ্যে তিন থেকে পাঁচ কর্মদিবস; ভ্রমণের দুই সপ্তাহ আগে আবেদন করুন, টেটের সময় আরও আগে।

ঢাকা থেকে ভিয়েতনামে সরাসরি ফ্লাইট আছে?

ট্রাভেল সাইটের তথ্যে বেশিরভাগ যাত্রা ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর বা সিঙ্গাপুর হয়ে; এক স্টপের ভাড়া তুলনা করুন।

আরও পড়ুন: থাইল্যান্ড বাজেট ভ্রমণ · মালয়েশিয়া ট্যুরিস্ট ভিসা · সিঙ্গাপুর ভিসা

ভিয়েতনাম যাওয়ার কথা ভাবছেন? টাকা দেওয়ার আগে ই-ভিসার ফর্মটা আমাদের দেখিয়ে নিন।

পাসপোর্ট আর তারিখ জানান। ছবি, ফর্ম আর বুকিং মিলিয়ে দেখব যাতে কিছু বাতিল না হয়, আর ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত বাজেট বানিয়ে দেব।

ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন