বেশিরভাগ বাংলাদেশি পরিবারের কাছে Bangkok শহরটা চেনা — কারও ট্রানজিট, কারও চিকিৎসার সফর, কারও নতুন পাসপোর্টের প্রথম সিল। কিন্তু যেটা প্রায় কেউ জানেন না, সেটা হলো ওই একই শহরে পুরোপুরি ইংরেজি মাধ্যমে ডিগ্রি পড়ানো হয়, আর Royal Thai Embassy বসে আছে বারিধারার মাদানী অ্যাভিনিউতে — গুলশান থেকে বিশ মিনিটের পথ। বাংলাদেশ থেকে Thailand স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আপনাকে New Delhi যেতে হবে না। শুধু এই একটা কারণেই আমরা যেসব সাশ্রয়ী দেশ নিয়ে কাজ করি, তাদের ভিড়ে Thailand আলাদা হয়ে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশ থেকে Thailand-এ পড়তে হলে লাগবে Non-Immigrant "ED PLUS" ভিসা, যেটা ঢাকার Royal Thai Embassy স্নাতক ও তার ওপরের পড়াশোনার জন্য দেয়। দূতাবাসের নিজস্ব তালিকায় চাওয়া হয় থাই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ও এনরোলমেন্ট লেটার এবং জনপ্রতি অন্তত ৬০,০০০ টাকার প্রমাণ। ভিসা সিঙ্গেল এন্ট্রি, মেয়াদ তিন মাস; এরপর আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ই মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করে।
বাংলাদেশে কি সত্যিই থাই দূতাবাস আছে, নাকি ভারত হয়ে যেতে হয়?
সত্যিই আছে, আর সেটি নিজেই ভিসা দেয়। Royal Thai Embassy-র ঠিকানা ১৮ ও ২০ মাদানী অ্যাভিনিউ, বারিধারা, ঢাকা-১২১২; খোলা থাকে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা। তাদের কনস্যুলার শাখা নিজেরাই ভিসার চেকলিস্ট প্রকাশ করে, শিক্ষার্থীদেরটাও।
শুনতে সাধারণ মনে হলেও ব্যাপারটা বড়। এই ব্লগে আমরা যত সাশ্রয়ী গন্তব্য নিয়ে কাজ করেছি — Armenia, Azerbaijan, Kazakhstan, South Africa, Mauritius — প্রায় প্রতিটিতেই একই গল্প: বাংলাদেশে কোনো মিশন নেই, তাই ফাইল যায় New Delhi-তে। তার মানে আগে ভারতীয় ভিসা, তারপর ফ্লাইট, হোটেল আর লাইন — স্টুডেন্ট ভিসার কাজ শুরুই হয় তার পরে। Thailand সেই ছক ভেঙে দেয়। আপনার কাগজ ঢাকায় বসেই যাচাই হয়।
আসলে কোন ভিসার জন্য আবেদন করব — ED না ED PLUS?
ঢাকার দূতাবাস শিক্ষার্থীদের জন্য যেটি প্রকাশ করেছে সেটি হলো Non-Immigrant Visa "ED PLUS", আর তাদের কাগজে পরিধিটা স্পষ্ট লেখা আছে: শুধু স্নাতক ডিগ্রি ও তার ওপরের পড়াশোনার জন্য। ভিসাটি সিঙ্গেল এন্ট্রি, মেয়াদ তিন মাস, আর ইস্যুর তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।
পুরোনো এডুকেশন ভিসার তুলনায় ED PLUS-এর দুটি সুবিধা সত্যিই ভালো, আর দুটোই দূতাবাসের নিজের কাগজে লেখা:
- পড়াশোনার মাঝখানে রি-এন্ট্রি পারমিট ছাড়াই দেশে এসে আবার ফিরে যাওয়া যায় — ঈদে বাড়ি আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটা বাস্তব সাশ্রয়।
- ED PLUS হাতে এলে মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন বিশ্ববিদ্যালয় আপনার পক্ষ থেকে জমা দেয়। প্রতি বছর ইমিগ্রেশনে দৌড়ানোর দায়িত্ব আপনার ওপর পড়ে না।
দূতাবাসের ED PLUS কাগজে পরিষ্কার লেখা, এই ভিসাধারী পাস করার পর এক বছর Thailand-এ থেকে চাকরি খুঁজতে, ঘুরতে বা অন্য কাজে যুক্ত হতে পারেন, আর চাকরি পেলে দেশের ভেতরেই ভিসার ধরন বদলানোর যোগ্য হন। বাংলা ভাষার বেশিরভাগ লেখা এখনো বলে Thailand-এ পড়ার পর থাকার কোনো সুযোগ নেই। আছে — স্নাতক ও তার ওপরের ED PLUS ধারীদের জন্য।
কত টাকা দেখাতে হবে, আর কোন মুদ্রায়?
এখানেই ঢাকার দূতাবাসের কাগজটা মূল ভাষায় পড়ার দাম আছে: তারা টাকার অঙ্কটা বাথের পাশাপাশি টাকাতেও লিখে দিয়েছে। ভাষাটা হলো — "জনপ্রতি অন্তত ২০,০০০ বাথ ও পরিবারপ্রতি ৪০,০০০ বাথ অথবা জনপ্রতি ৬০,০০০ টাকা ও পরিবারপ্রতি ১,২০,০০০ টাকা।"
প্রমাণের ধরনটাও নির্দিষ্ট। দূতাবাস চায় চলতি ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট আর শেষ ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, যেখানে লেনদেন "সন্তোষজনক" হতে হবে। আর স্পষ্ট লেখা, শুধু মূল কপি গ্রহণযোগ্য — ফটোকপি নয়। কোনো প্রতিষ্ঠান স্পনসর করলে এবং প্রতিষ্ঠানের স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি লেটার জমা পড়লে সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স দিতে হবে।
সংখ্যাটা একটু মন দিয়ে পড়ুন। ৬০,০০০ টাকা হলো ভিসা কাউন্টারে দেখানোর অঙ্ক — এটা Thailand-এ এক বছরের খরচ নয়, আর ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তাও নয়। টিউশন, থাকা-খাওয়া সব আলাদা এবং অনেক বড়। কাগজের শেষেই লেখা আছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রয়োজন মনে করলে আরও কাগজ চাইতে পারেন। তাই ৬০,০০০ টাকাকে সর্বনিম্ন সীমা ভাবুন, বাজেট নয়।

ঢাকার দূতাবাসের চেকলিস্টে ঠিক কী কী চাওয়া হয়?
কনস্যুলার শাখা ED PLUS-এর শর্তগুলো দুটি স্ক্যান করা পাতায় প্রকাশ করেছে। আমরা সেগুলো পড়ে তালিকাটা তুলে দিলাম:
- পুরোপুরি পূরণ করা ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর করা আবেদনপত্র
- উদ্দেশ্য উল্লেখ করে আবেদনকারীর ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার
- অন্তত ছয় মাস মেয়াদ থাকা বৈধ পাসপোর্ট
- পাসপোর্টের তথ্য পাতা, আগের থাই ভিসা ও নবায়নের পাতার (থাকলে) এক সেট ফটোকপি
- সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা ৩.৫ × ৪.৫ সেন্টিমিটারের দুই কপি রঙিন ছবি, শেষ ছয় মাসের মধ্যে তোলা
- আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ — মূল ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও ছয় মাসের স্টেটমেন্ট (জনপ্রতি ৬০,০০০ / পরিবারপ্রতি ১,২০,০০০ টাকা, অথবা সমপরিমাণ বাথ)
- থাই বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের চিঠি
- এনরোলমেন্টের তথ্য নিশ্চিত করা চিঠি, অনুমোদিত ব্যক্তির স্বাক্ষরসহ — এবং সেই স্বাক্ষরকারীর আইডি বা পাসপোর্টের কপি
- বিমান টিকিট, বুকিং কনফার্মেশন বা ইটিনারারির কপি
শেষের আগের শর্তটাতেই অনেকে আটকে যান। থাই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু এনরোলমেন্ট লেটার পাঠালেই হবে না; দূতাবাস জানতে চায় সেটা কে সই করেছেন। আপনার প্রতিষ্ঠানের ইন্টারন্যাশনাল অফিস যদি স্বাভাবিকভাবে স্বাক্ষরকারীর আইডি না দেয়, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগেই চেয়ে রাখুন।
বাংলা কাগজে কি Apostille লাগবে?
এখনো না — আর এই তথ্যটাই এই লেখার সবচেয়ে সময়সংবেদনশীল অংশ। বাংলাদেশ ১৯৬১ সালের Apostille Convention-এ যুক্ত হয়েছে ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে, আর বেশিরভাগ গন্তব্যের ক্ষেত্রে সেটি পুরোনো দূতাবাস-লিগ্যালাইজেশনের ঝামেলা কমিয়েছে। কিন্তু Thailand সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত এই কনভেনশনের পক্ষ ছিল না।
Hague Conference on Private International Law-এর তথ্য অনুযায়ী Thailand যোগদানের দলিল জমা দিয়েছে ৩০ জুন ২০২৬, আর তাদের ক্ষেত্রে কনভেনশন কার্যকর হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে। ওই তারিখের আগে দুই দেশের মধ্যে Apostille পথটি চালু নেই।
এর মধ্যে ঢাকার দূতাবাস কী চায়, সেটাও তাদের নোটে লেখা: থাই কাগজের জন্য সংক্ষিপ্ত ইংরেজি বিবরণ, আর "বাংলাসহ" অন্য বিদেশি ভাষার কাগজ ইংরেজিতে অনুবাদ করে একজন নির্ভরযোগ্য অনুবাদক ও নোটারি পাবলিকের সত্যায়ন নিতে হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর আগে জমা দিলে নোটারি করা সত্যায়িত অনুবাদের প্রস্তুতি নিন। পরে জমা দিলে Apostille পথ খোলা থাকার কথা — তবে ধরে না নিয়ে সেদিন দূতাবাসে যাচাই করে নিন, কারণ মিশনগুলো নিজেদের সুবিধামতো চেকলিস্ট হালনাগাদ করে। ঠিক এ ধরনের নড়াচড়া আমরা শিক্ষার্থীদের হয়ে খেয়াল রাখি, আর এ কারণেই ছয় মাস আগে কাগজ বানিয়ে ফেলতে আমরা নিরুৎসাহিত করি।
থাই বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি কত?
Thailand-এর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফি খোলাখুলি প্রকাশ করে, যেটা স্বস্তির। দেশের সবচেয়ে পরিচিত প্রতিষ্ঠান Chulalongkorn University অনুষদ ভেদে স্নাতকের ফি ঠিক করে এভাবে:
| অনুষদ গ্রুপ | বাথ / সেমিস্টার | মন্তব্য |
|---|---|---|
| Life Science (১) — মেডিসিন, ডেন্টিস্ট্রি, ভেটেরিনারি | ১,০৬,০০০ | সর্বোচ্চ |
| Life Science (২) — ফার্মেসি, নার্সিং, অ্যালায়েড হেলথ | ৮২,৭০০ | মাঝারি |
| Physical Science — ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স, আর্কিটেকচার | ৭৯,৫০০ | মাঝারি |
| Social Science | ৭৬,০০০ | সর্বনিম্ন |
| Arts ও Humanities | ৭৬,০০০ | সর্বনিম্ন |
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের পাতাতেই একটা শর্ত যোগ করা আছে, যেটা এজেন্ট ওয়েবসাইটগুলো বাদ দিয়ে দেয়: এই অঙ্কে প্রোগ্রাম ফি ধরা নেই। সেটি আলাদাভাবে যুক্ত হয়, স্নাতক পর্যায়ে ৭০,০০০ থেকে ১,৪১,৫০০ বাথ পর্যন্ত — একটি মেডিকেল প্রোগ্রামে ৫,৭০,০০০ বাথ। অর্থাৎ অনেক প্রোগ্রামে শিরোনামের টিউশন আসল বিলের প্রায় অর্ধেক।
সূত্র নিয়ে একটা সৎ কথা: Chulalongkorn-এর ফি পাতায় বাথ থেকে ডলারে রূপান্তর করা হয়েছে ১২ এপ্রিল ২০২৩-এর বিনিময় হারে। নির্ভরযোগ্য হলো বাথের অঙ্কগুলো; ডলারের কলামটা বাদ দিন, আর তিন বছরের পুরোনো হারে টাকায় হিসাব করবেন না। এ কারণেই এখানে টিউশনের কোনো টাকার অঙ্ক আমরা দিইনি।
জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে একই পাতায় বলা আছে: বই বাবদ সেমিস্টারে প্রায় ৫,০০০ বাথ, খাওয়া ও ব্যক্তিগত খরচ মাসে ১০,০০০ বাথ থেকে, আর ডরমিটরি মাসে প্রায় ১৫,০০০ বাথ, বিদ্যুৎ-পানিসহ।
স্টুডেন্ট ভিসায় কি Thailand-এ পার্ট-টাইম কাজ করা যায়?
উত্তরটা "না" ধরেই পরিকল্পনা করুন। থাই আইনে থাকার অধিকার আর কাজের অধিকার আলাদা: এডুকেশন ভিসায় কাজের অনুমতি থাকে না, আর ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া বেতনের কাজ করা অপরাধ, যার পরিণতিতে জরিমানা, স্ট্যাটাস বাতিল ও দেশ থেকে বের করে দেওয়া পর্যন্ত হতে পারে। থাই আইনজীবীরা যে সীমিত ব্যতিক্রমগুলোর কথা বলেন, সেগুলো হলো অনুমোদিত কারিকুলামের অংশ হিসেবে ইন্টার্নশিপ, আর Board of Investment সুবিধাপ্রাপ্ত কোম্পানিতে চাকরি — সাধারণ স্নাতক শিক্ষার্থীর ভরসা করার মতো কোনোটিই নয়।
গবেষণার সময় থাই সরকারের ইংরেজি পাতা থেকে কাজের অধিকারের বিষয়টি আমরা যাচাই করতে পারিনি। তাই ওপরের অনুচ্ছেদটিকে থাই আইনের বিষয়ে পেশাদারদের অভিন্ন ব্যাখ্যা হিসেবে দেখুন, সরকারি উদ্ধৃতি হিসেবে নয়। যেটি নিশ্চিত, সেটি হলো দিকনির্দেশ: Thailand-এ পার্ট-টাইম আয় ধরে বাজেট বানাবেন না। নিজের ক্ষেত্রে নির্ভর করার আগে যাচাই করে নিন।
পুরো প্রক্রিয়াটা ধাপে ধাপে কেমন?
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য Thailand কি আসলেই যুক্তিসঙ্গত?
যুক্তিসঙ্গত, যদি আপনার প্রোগ্রাম ইংরেজিতে পড়ানো হয়, পরিবার পার্ট-টাইম আয়ের ওপর ভরসা না করে খরচ চালাতে পারে, আর দেশ থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টার দূরত্বটা আপনার কাছে মূল্যবান হয়। আবার খারাপ সিদ্ধান্ত, যদি আপনার পরিকল্পনা পড়ার পাশে আয়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, কিংবা আপনি স্নাতকের নিচের কোনো কোর্স খুঁজছেন — কারণ সেখানে ED PLUS প্রযোজ্য নয়।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি: পারিবারিক আলোচনায় Thailand খুব তাড়াতাড়ি বাদ পড়ে যায়, কারণ সবাই ধরে নেন এটা বেড়ানোর দেশ, পড়ার দেশ নয়। তারপর কেউ একজন দূতাবাসের কাগজটা সত্যিই পড়েন, টাকার অঙ্কটা আর পাস করার পরের বছরটা চোখে পড়ে, আর আলোচনা আবার শুরু হয়। তথ্য সবার জন্যই খোলা। সময় লাগে অন্য জায়গায় — একজন নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীর নম্বর, বাজেট আর বিষয়ের সঙ্গে মিলিয়ে এমন প্রোগ্রাম বের করা যেখানে তিনি ভর্তি হতে পারবেন, আর এমন একটা টাকার ফাইল দাঁড় করানো যেটা সত্যিকারের মনে হয়।
আরও পড়ুন: ২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে কম খরচে বিদেশে পড়ার উপায় · Malaysia স্টুডেন্ট ভিসার প্রক্রিয়া — এই অঞ্চলে সবচেয়ে কাছাকাছি তুলনা, আর বেশিরভাগ পরিবার Thailand-কে এর সঙ্গেই মেলায়।
আপনার নম্বর আর বাজেটে Thailand মানায় কি না, বুঝতে পারছেন না?
ট্রান্সক্রিপ্ট, IELTS থাকলে সেটির ফল, আর পরিবার আসলে কত খরচ চালাতে পারবে — এই তিনটি নিয়ে আসুন। আমরা সোজা কথায় বলে দেব থাই প্রোগ্রাম আপনার জন্য বাস্তবসম্মত কি না, আপনার কাগজের ফাইলে কী নেই, আর ২০২৭-২৮ সেশনের ভর্তি মৌসুমের মাঝখানে Apostille-এর তারিখ পড়ায় সময় নিয়ে কী ভাবতে হবে। Thailand আপনার জন্য মানানসই না হলে সেটাও বলব, আর দেখিয়ে দেব কোনটা কাছাকাছি।
ফ্রি পরামর্শ নিন →দ্রষ্টব্য: এটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ গবেষণা, Eduvisa এখন Thailand-এর আবেদন প্রক্রিয়া করে — এমন ঘোষণা নয়। ভিসার নিয়ম, ফি আর চেকলিস্ট বদলায়। কাজ শুরুর আগে প্রতিটি তথ্য ঢাকার Royal Thai Embassy ও আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে যাচাই করে নিন। এখানে ব্যবহৃত সূত্র: Royal Thai Embassy Dhaka-র কনস্যুলার পাতা (dhaka.thaiembassy.org), Chulalongkorn University-র টিউশন পাতা (chula.ac.th, হালনাগাদ ২১ মে ২০২৬), এবং Thailand-এর Apostille Convention-এ যোগদান নিয়ে HCCH-এর ঘোষণা।
