লন্ডনে পড়তে যাওয়া সন্তানকে দেখতে যাওয়া পরিবার, লর্ডসের পথে ক্রিকেটপ্রেমী, ট্রেড ফেয়ারে ব্যবসায়ী — বাংলাদেশিদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য যুক্তরাজ্য। "লন্ডন ভিসা প্রাইস ইন বাংলাদেশ" খুঁজলে অনেক পাতায় এখনো পুরোনো £১২৭ ফি দেখায়। ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার ফি £১৩৫, আর বাকি প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি কাজে দেয় যত্ন নিয়ে গোছানো কাগজ।
বাংলাদেশিদের লাগে স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ভিসা — GOV.UK-এ অনলাইনে আবেদন, তারপর ঢাকার VFS সেন্টারে বায়োমেট্রিক। খরচ ৬ মাস পর্যন্ত £১৩৫ (৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে)। দীর্ঘমেয়াদি ভিজিট ভিসা: ২ বছর £৫০৬, ৫ বছর £৯০৩, ১০ বছর £১,১২৮। ভ্রমণের তিন মাস আগে থেকে আবেদন করা যায়।

২০২৭ সালে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসায় কত খরচ?
হোম অফিস ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল ভিজিট ভিসার ফি বাড়িয়েছে, আর ৮ অক্টোবর ২০২৬-এর হালনাগাদে তা অপরিবর্তিত রেখেছে। অফিসিয়াল অঙ্কগুলো:
| ভিসা | ফি | থাকা |
|---|---|---|
| স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর | £১৩৫ | ৬ মাস |
| চিকিৎসার জন্য ভিজিটর | £২৩৪ | ১১ মাস |
| একাডেমিক ভিজিটর | £২৩৪ | ১২ মাস |
| দীর্ঘমেয়াদি, ২ বছর | £৫০৬ | প্রতি সফরে ৬ মাস |
| দীর্ঘমেয়াদি, ৫ বছর | £৯০৩ | প্রতি সফরে ৬ মাস |
| দীর্ঘমেয়াদি, ১০ বছর | £১,১২৮ | প্রতি সফরে ৬ মাস |
ফি অনলাইনে পাউন্ডে দিতে হয়। VFS Global-এর ঐচ্ছিক সেবা (প্রায়োরিটি, কুরিয়ার, ডকুমেন্ট স্ক্যান) আলাদা। দীর্ঘমেয়াদি ভিসায় প্রতি সফরে বেশি দিন থাকা যায় না; ঘন ঘন গেলে বারবার আবেদনের ঝামেলা বাঁচে।
যুক্তরাজ্যের কেসওয়ার্কার কী দেখতে চান?
ভিজিটর নিয়মে দেখা হয় আপনি প্রকৃত ভিজিটর কিনা — সফর শেষে ফিরবেন, খরচ চালাতে পারবেন, আর ঘন ঘন এসে সেখানে কাজ বা বসবাস করবেন না। কাগজ দিয়ে প্রতিটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে:
- উদ্দেশ্য: পরিষ্কার কারণ — ভ্রমণসূচি, সমাবর্তনের আমন্ত্রণ, ব্যবসায়িক মিটিংয়ের চিঠি, বা আয়োজকের স্ট্যাটাসের কাগজসহ পারিবারিক আমন্ত্রণ।
- টাকা: বেতন বা ব্যবসার আয় দেখানো ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সাথে ট্যাক্স রিটার্ন। ব্যাখ্যাহীন বড় জমা ফাইল দুর্বল করে।
- বন্ধন: ছুটির অনুমোদনসহ চাকরির চিঠি, ব্যবসার কাগজ, সম্পত্তির দলিল, দেশে পরিবার।
- ইতিহাস: আগের ভিসা ও ভ্রমণ। আগের সব প্রত্যাখ্যান সততার সাথে জানান — গোপন করলে নিষেধাজ্ঞা হতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার আবেদন ধাপে ধাপে কীভাবে করবেন?
GOV.UK-এ অনলাইন আবেদন
স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর বেছে নিন, সততার সাথে ফর্ম পূরণ করুন, £১৩৫ দিন।
ঢাকার VFS বুক করুন
বায়োমেট্রিকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন; সুযোগ থাকলে কাগজ আপলোড করুন।
কাগজ আপলোড বা সাথে নিন
পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয় ও ট্যাক্সের প্রমাণ, আমন্ত্রণ, ভ্রমণসূচি।
বায়োমেট্রিক দিন
ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আঙুলের ছাপ ও ছবি।
অপেক্ষা ও সংগ্রহ
সাধারণত তিন সপ্তাহে সিদ্ধান্ত; পাসপোর্ট নিয়ে ভিনিয়েটের তথ্য মিলিয়ে নিন।
ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসা হতে কত দিন লাগে?
GOV.UK বলছে, যুক্তরাজ্যের বাইরে থেকে আবেদন করলে সাধারণত বায়োমেট্রিক অ্যাপয়েন্টমেন্টের তিন সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসে। বাড়তি টাকায় প্রায়োরিটি সেবা পাওয়া যেতে পারে। গ্রীষ্মে আর বড়দিনের আগে অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা বাড়ে (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।
লন্ডন ও আরেকটি শহরে ১০ দিনের আনুমানিক খরচ:
| খাত | ৳ (আনুমানিক) |
|---|---|
| ভিসা ফি (£১৩৫) | ≈২২,০০০ |
| ঢাকা–লন্ডন রিটার্ন ফ্লাইট | ৯০,০০০–১,৬০,০০০ |
| থাকা, ৯ রাত | ৯০,০০০–১,৮০,০০০ |
| খাবার ও অয়েস্টার/কন্ট্যাক্টলেস যাতায়াত | ৪৫,০০০–৭৫,০০০ |
| দর্শনীয় স্থান, সিম, অন্যান্য | ১৫,০০০–৩৫,০০০ |
| মোট | ≈ ২,৬২,০০০–৪,৭২,০০০ |
শুধু আনুমানিক হিসাব, জনপ্রতি, অক্টোবর ২০২৬-এ প্রতি £ প্রায় ৳১৬২ ধরে। কোটেশন নয়।
যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার চেকলিস্টে কী কী থাকে?
- বৈধ পাসপোর্ট ও সব পুরোনো পাসপোর্ট
- ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট
- বেতনের স্লিপ বা ব্যবসার কাগজ ও ট্যাক্স রিটার্ন
- অফিসের ছুটির চিঠি বা ব্যবসার মালিকানার প্রমাণ
- আমন্ত্রণপত্র ও আয়োজকের যুক্তরাজ্যের স্ট্যাটাস (পরিবারের কাছে গেলে)
- তারিখ ও থাকার জায়গাসহ ভ্রমণ পরিকল্পনা
- বাংলা কাগজের ইংরেজি অনুবাদ
ভিজিট ভিসা থেকে কি পড়াশোনা বা কাজে যাওয়া যায়?
স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ছয় মাস পর্যন্ত কোর্স করতে আর মিটিং বা কনফারেন্সে যেতে পারেন, কিন্তু বেতনের কাজ বা যুক্তরাজ্যের ভেতর থেকে ওয়ার্ক ভিসায় বদল করতে পারেন না। ডিগ্রি পড়তে চাইলে লাগবে স্টুডেন্ট ভিসা — আমাদের যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট গাইডগুলো দেখুন। তবে নিয়ম মেনে করা একটা যুক্তরাজ্য সফর যেকোনো দেশের ভবিষ্যৎ আবেদনকে শক্ত করে।
- শুধু অফিসিয়াল পোর্টাল বা অফিসিয়ালি তালিকাভুক্ত এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করুন। এই গাইডের প্রতিটি ভিসার লিংক সরকারি বা দূতাবাসের পাতা। কোনো সাইট অফিসিয়াল ফির চেয়ে অনেক বেশি চাইলে বন্ধ করে দিন।
- সব জায়গায় নাম একরকম রাখুন। পাসপোর্ট, ভিসা ফর্ম, বিমানের টিকিট আর হোটেল বুকিংয়ে মাঝের নামসহ একই বানান থাকতে হবে। একটা অক্ষরের পার্থক্যেও চেক-ইনে আটকে যেতে পারেন।
- ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কিনুন। বিদেশে চিকিৎসার জরুরি অবস্থায় পুরো সফরের চেয়েও বেশি খরচ হতে পারে। বাংলাদেশের কয়েকটি বিমা কোম্পানি কয়েক হাজার টাকায় স্বল্পমেয়াদি পলিসি দেয়।
- অফলাইনে কপি রাখুন। পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট ও বুকিংয়ের ছবি ফোনে আর ইমেইলে রাখুন, সাথে মূল কাগজ থেকে আলাদা করে এক সেট প্রিন্ট।
- সময়মতো ফিরুন। পরিষ্কার প্রবেশ-বহির্গমনের রেকর্ডই সফর থেকে আনা সবচেয়ে দামি জিনিস। পরের বার আবেদন করলে যুক্তরাজ্য, শেনজেন, জাপানসহ অন্যান্য দেশের অফিসাররা ঠিক এটাই দেখেন।
বাংলাদেশ থেকে টাকা-ডলার কীভাবে নেবেন?
সংক্ষেপে: যাওয়ার আগে পাসপোর্টে ডলার এনডোর্স করুন, পরিষ্কার US$ নোট ও একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড সাথে রাখুন, আর যতটুকু দরকার ততটুকুই ভাঙান।
- ডলার এনডোর্সমেন্ট: ব্যাংক বা লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনে পাসপোর্টে এনডোর্স করিয়ে নিন — এটা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত বার্ষিক ট্রাভেল কোটার মধ্যে পড়ে। এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট পাসপোর্টের সাথে রাখুন।
- ইন্টারন্যাশনাল কার্ড: বাংলাদেশি ব্যাংকের ডুয়াল-কারেন্সি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে হোটেল পেমেন্ট ও পাউন্ড তোলা সবচেয়ে নিরাপদ। ব্যাংককে আন্তর্জাতিক ব্যবহার চালু করতে বলুন এবং প্রতি লেনদেন ও দৈনিক সীমা জেনে নিন।
- পরিষ্কার নোট: নতুন, ছেঁড়া-ফাটা নয় এমন US$ নোট (সম্ভব হলে ২০১৩ বা পরের সিরিজ) ভালো রেট পায়; পুরোনো বা দাগওয়ালা নোট প্রায়ই নেওয়া হয় না।
- বুঝে ভাঙান: এয়ারপোর্টে শুধু যাতায়াতের জন্য অল্প ভাঙান, বাকিটা শহরের মানি চেঞ্জার বা এটিএম থেকে। বিদেশে টাকা (৳) ভাঙানোর চেষ্টা করবেন না — বাংলাদেশের বাইরে প্রায় কোথাও নেয় না।
- রেকর্ড রাখুন: কার্ড স্লিপ ও এনডোর্সমেন্ট রসিদ পরে যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনে আপনার ভ্রমণ ইতিহাস পরিষ্কার দেখায়।
নিজে করার বদলে ওয়ান-টু-ওয়ান সাহায্য কেন নেবেন?
কারণ টাকা খরচ করার আগেই নিয়ম জানা একজন মানুষ আপনার পুরো পরিকল্পনা মিলিয়ে দেখেন। বেশিরভাগ ভ্রমণ ছোট কারণে ভেস্তে যায়: পাসপোর্টের মেয়াদ কম, বুকিংয়ের সাথে ভিসা ফর্মের তথ্য না মেলা, অনানুষ্ঠানিক সাইটে ফি দেওয়া, কিংবা ফেরার তারিখ পরীক্ষা বা অফিসের সাথে সংঘাত। নিজে করা সম্ভব — এই পাতার অফিসিয়াল লিংকগুলোই যথেষ্ট — কিন্তু অভিজ্ঞ কেউ পাশে থাকলে পুরো প্রক্রিয়াটা পরিষ্কার, দ্রুত আর ভুলের ঝুঁকি অনেক কম হয়।
Eduvisa-র ওয়ান-টু-ওয়ান সার্ভিসে কী থাকে?
- একজন নির্দিষ্ট পরামর্শক, যিনি প্রথম কথা থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত আপনার ফাইল দেখেন — একই কথা বারবার বলতে হয় না।
- আপনার কেসের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চেকলিস্ট — পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংকের কাগজ, বুকিং, চিঠি — জমা দেওয়ার আগে যাচাই করা।
- বাজেট ও ভ্রমণসূচি পরিকল্পনা, ঢাকা থেকে বাস্তবসম্মত খরচসহ, ছুটি ও ভাড়া বাড়ার সময় মাথায় রেখে।
- শুধু অফিসিয়াল পোর্টালে আবেদন সহায়তা, প্রতিটি ফি ও রসিদের রেকর্ডসহ।
- ভ্রমণ ইতিহাসের পরিকল্পনা, যাতে এই সফর ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকে শক্ত করে।
Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড কী?
প্রত্যেক স্টুডেন্ট বা ট্যুরিস্ট ক্লায়েন্ট একটি ব্যক্তিগত ক্লায়েন্ট আইডিসহ Eduvisa মেম্বারশিপ কার্ড পান। কার্ডের ওয়েবসাইট লাইনে লেখা থাকে getbesthost.com/eduvisa: সেখানে ক্লায়েন্ট আইডি দিয়ে ঢুকে আপনার প্রসেসিং স্ট্যাটাস ট্র্যাক করতে পারবেন, সব ডকুমেন্ট এক জায়গায় দেখতে পারবেন এবং যত পেমেন্ট করেছেন তার সবই দেখতে পারবেন।
কাজের অগ্রগতি ও পেমেন্ট কীভাবে যাচাই করবেন?
আমাদের ভেরিফায়েড ক্লায়েন্ট পোর্টাল getbesthost.com/eduvisa-এ ধাপে ধাপে দেখা যায় আপনার কাজ কতদূর এগিয়েছে, আর প্রতিটি পেমেন্ট গ্রহণ ও রেকর্ড হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়। ফোন করে জিজ্ঞেস না করেই আপনি জানবেন ফাইল কোথায় আছে — পরিবারকেও দেখাতে পারবেন কী কী পেমেন্ট হয়েছে এবং কেন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যের ভিজিট ভিসার ফি কত?
ছয় মাস পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ভিসা £১৩৫ — ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল থেকে এই হার।
কত দিন লাগে?
GOV.UK বলছে বাইরে থেকে আবেদনে সাধারণত বায়োমেট্রিকের তিন সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসে।
কত আগে আবেদন করা যায়?
ভ্রমণের তারিখের সর্বোচ্চ তিন মাস আগে।
প্রথম আবেদনেই কি দীর্ঘমেয়াদি ভিসা পাওয়া যায়?
২, ৫ বা ১০ বছরের জন্য আবেদন করা যায়, তবে দীর্ঘ মেয়াদ দেওয়ার আগে কেসওয়ার্কাররা নিয়ম মেনে করা আগের সফরের ইতিহাস দেখতে চান (ট্রাভেল সাইটের তথ্য)।
আগের প্রত্যাখ্যান কি জানাতে হবে?
হ্যাঁ। যেকোনো দেশের সব প্রত্যাখ্যান সততার সাথে জানাতে হবে।
- GOV.UK — স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর ভিসার আবেদন — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
- হোম অফিসের ইমিগ্রেশন ফি, ৮ অক্টোবর ২০২৬ থেকে — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
- GOV.UK — স্ট্যান্ডার্ড ভিজিটর হিসেবে যুক্তরাজ্য ভ্রমণ — ১৪ অক্টো ২০২৬-এ পড়া
ওপরের ফি ও নিয়ম এই সরকারি পাতাগুলো থেকে নেওয়া, ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ পড়া। টাকার হিসাবগুলো আনুমানিক। "ট্রাভেল সাইটের তথ্য" লেখা অংশ অফিসিয়াল পাতা থেকে নয়।
আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যের স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত · যুক্তরাজ্যের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ · শেনজেন ট্যুরিস্ট ভিসা
যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন? VFS-এর আগে ফাইলটা দেখিয়ে নিন।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট আর আমন্ত্রণপত্র নিয়ে আসুন। কেসওয়ার্কারের আগেই আমরা ফাঁক আর অমিলগুলো ধরে দেব।
ফ্রি পরামর্শ বুক করুন →


