UK নিয়ে আমাদের অফিসে বসা প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রথম দশ মিনিটের মধ্যেই একটা প্রশ্ন আসে — "ওখানে কি কাজ করা যাবে?" সোজা উত্তর হলো, যাবে। তবে UK নিয়মগুলো খুব কড়াভাবে বেঁধে দিয়েছে, আর বিপদে পড়েন যাঁরা, তাঁরা অলস শিক্ষার্থী নন। বিপদে পড়েন সেই পরিশ্রমী ছেলেমেয়েরাই, যাঁরা সপ্তাহে একটা বাড়তি শিফট নিয়ে ফেলেছিলেন।
তাই ২০২৭ সালে UK স্টুডেন্ট ভিসায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পার্ট-টাইম কাজের নিয়ম আসলে কী বলে, সেটাই এখানে তুলে ধরছি — সরাসরি Immigration Rules আর GOV.UK থেকে। ঘণ্টার সীমা, আসল ঘণ্টাপ্রতি আয়, আর যে চারটি ভুল আমরা সবচেয়ে বেশি দেখি, সবই থাকছে।
UK স্টুডেন্ট ভিসায় আপনার কোর্স যদি স্নাতক বা তার উপরের স্তরের হয় এবং আপনার sponsor-এর track record of compliance থাকে, তাহলে সেমিস্টার চলাকালে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা এবং ছুটির সময়ে পূর্ণকালীন কাজ করা যায়। স্নাতকের নিচের কোর্সে সীমা ১০ ঘণ্টা। পার্ট-টাইম স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা কোনো কাজই করতে পারেন না। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় £12.71।
২০২৭ সালে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা কি UK-তে পার্ট-টাইম কাজ করতে পারবেন?
পারবেন — যদি আপনার sponsor আর কোর্সের স্তর অনুমতি দেয়। কাজের অধিকার সবার জন্য এক নয়, আর এটা এমনি এমনি পাওয়া যায় না। এটা আপনার অনুমতির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া একটা শর্ত, যা Immigration Rules-এ লেখা আছে এবং আপনার ডিজিটাল ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসেও দেখা যায়।
Immigration Rules-এর Appendix Student (অনুচ্ছেদ ST 26.1) অনুযায়ী কাজের অধিকার নির্ভর করে দুটি বিষয়ে — আপনার student sponsor-এর "track record of compliance" আছে কি না, আর আপনার কোর্স স্নাতক স্তরের বা তার উপরে কি না। আপনার sponsor যদি ট্র্যাক রেকর্ড ছাড়া কোনো private provider, সরকারি অর্থে চলা কলেজ বা embedded pathway college হয়, তাহলে আপনি মোটেই কাজ করতে পারবেন না। অবশ্য কোর্সের অংশ হিসেবে নির্ধারিত work placement তখনো করা যেতে পারে।
এ কারণেই চাকরির বিজ্ঞাপনে কোন প্রতিষ্ঠানের নাম আছে, তার চেয়ে আপনার CAS-এ কার নাম আছে সেটা বেশি জরুরি। কোনো চাকরির প্রস্তাব নেওয়ার আগে যুক্তরাজ্য সরকারের licensed student sponsor তালিকায় আপনার প্রতিষ্ঠানের অবস্থান দেখে নিন, আর নিজের অনুমতিপত্রের শর্তগুলো পড়ুন।
UK স্টুডেন্ট ভিসায় সপ্তাহে কত ঘণ্টা কাজ করা যায়?
ঘণ্টার সীমা ঠিক হয় কোর্সের স্তর দেখে, আপনার টাকার দরকার দেখে নয়। Immigration Rules যেভাবে সাজিয়ে দিয়েছে, ছবিটা এমন:
| আপনার অবস্থা | সেমিস্টার চলাকালে | ছুটিতে |
|---|---|---|
| স্নাতক বা উপরে, ট্র্যাক রেকর্ডধারী sponsor | ২০ ঘণ্টা/সপ্তাহ | পূর্ণকালীন |
| স্নাতকের নিচে, ট্র্যাক রেকর্ডধারী sponsor | ১০ ঘণ্টা/সপ্তাহ | পূর্ণকালীন |
| Study abroad প্রোগ্রাম, বিদেশি HE প্রতিষ্ঠান | ২০ ঘণ্টা/সপ্তাহ | পূর্ণকালীন |
| পার্ট-টাইম স্নাতকোত্তর কোর্স | কাজ নিষিদ্ধ | কাজ নিষিদ্ধ |
| ট্র্যাক রেকর্ড নেই এমন sponsor | কাজ নিষিদ্ধ | কাজ নিষিদ্ধ |
দুটি ব্যাপারে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ধরা খান। এক, সীমাটা আপনার সব চাকরি মিলিয়ে — ১৫ ঘণ্টার দুটি কাজ মানে ৩০ ঘণ্টা, অর্থাৎ নিয়মভঙ্গ, যদিও দুই মালিকের কেউই সমস্যা দেখছেন না। দুই, যাঁরা স্নাতকোত্তর কোর্স পার্ট-টাইম হিসেবে করছেন, তাঁরা সেমিস্টারেও নয়, ছুটিতেও নয় — কখনোই কাজ করতে পারবেন না। কাগজে পার্ট-টাইম মাস্টার্স সস্তা মনে হয়; সেটা আপনার আয়ের অধিকারটাও কেড়ে নেয়।
অনুমতির চেয়ে বেশি ঘণ্টা কাজ করা মানে অবৈধ শ্রম। এর পরিণতিতে আপনার অনুমতি বাতিল হতে পারে, sponsor রিপোর্ট করতে পারে, UK ছাড়তে হতে পারে, আর ভবিষ্যতের আবেদনও বাতিল হতে পারে। মালিকপক্ষেরও মোটা জরিমানা হয় — সে জন্যই ভালো প্রতিষ্ঠানগুলো আপনার ঘণ্টা খুব খুঁটিয়ে হিসাব রাখে।
"সপ্তাহ" শুরু হয় কবে থেকে, আর term time মানে কী?
সপ্তাহ মানে সোমবার থেকে শুরু হওয়া যেকোনো সাত দিন। ঘণ্টার গড় করা যায় না — এ সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা আর পরের সপ্তাহে ১০ ঘণ্টা মানে "সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা" নয়, বরং এক সপ্তাহের অবৈধ শ্রম। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরামর্শক সংস্থা UKCISA কথাটা পরিষ্কারভাবেই বলে দিয়েছে, আর কমপ্লায়েন্স টিমগুলোও এভাবেই হিসাব মেলায়।
Term time মানে সেই সময়টা, যখন আপনার sponsor আপনাকে পড়াশোনায় থাকতে বলছে — আপনার নিজের ক্লাসের রুটিন নয়, আর যেসব সপ্তাহে ক্লাস নেই সেগুলোও নয়। ডিজারটেশনের মাসগুলো সাধারণত term time-ই ধরা হয়। গবেষণার শিক্ষার্থীদের উচিত নিজের বিভাগ থেকে লিখিতভাবে জেনে নেওয়া, তাঁদের ক্ষেত্রে term time কীভাবে হিসাব হবে — কারণ প্রতিষ্ঠানভেদে চর্চা আলাদা।
একটা কাজের সূক্ষ্ম দিক আছে: শুধু যে ঘণ্টাগুলোতে আপনি সত্যিই কাজ করছেন, সেগুলোই গোনা হয়। এক চাকরি থেকে ছুটির বেতন পাওয়ার সময় অন্য জায়গায় শিফট করলে ছুটির বেতন ঘণ্টার হিসাবে যোগ হয় না, শিফটটা হয়। তাই সোমবার থেকে রোববার — প্রতি সপ্তাহের ঘণ্টার হিসাব নিজে লিখে রাখুন। দুই মালিকের কাছে যদি অর্ধেক করে তথ্য থাকে, পুরো ছবিটা কেবল আপনিই দেখতে পান।

মাসে আসলে কত আয় হয় — পাউন্ডে আর টাকায়?
২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে UK-র আইনি ন্যূনতম মজুরি ২১ বছর ও তার বেশি বয়সীদের জন্য ঘণ্টায় £12.71, ১৮ থেকে ২০ বছরের জন্য £10.85, আর ১৮-র নিচে ও প্রথম বছরের apprentice-দের জন্য £8। এগুলো সর্বনিম্ন সীমা — London বা অন্য বড় শহরের অনেক ছাত্রবান্ধব কাজে এর চেয়ে বেশিই দেওয়া হয়।
ঘণ্টায় £12.71 হিসাবে পুরো ২০ ঘণ্টার সপ্তাহে আয় দাঁড়ায় £254.20, কর কাটার আগে। মাস হিসেবে সেটা মোটামুটি £1,100, অর্থাৎ পাউন্ডপ্রতি ৳১৬৪.৫ ধরলে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঢাকায় বসে অঙ্কটা বিশাল মনে হয়। অথচ UK-তে London-এর বাইরে একজন শিক্ষার্থীর এক মাসের বাসা আর খাওয়ার খরচই মোটামুটি এটুকু — আর এখানেই আসল কথাটা।
২০ ঘণ্টা একটা ছাদ, রুটিন নয়। শিফট কমবেশি হয়, পরীক্ষার সপ্তাহে সময় থাকে না, আর নির্দিষ্ট সীমা পেরোলে আয়ের একটা অংশ কর ও National Insurance-এ চলে যায়। পার্ট-টাইম কাজকে জীবনযাত্রার খরচের একটা অংশ হিসেবে ধরুন — টিউশন ফি মেটানোর পরিকল্পনা হিসেবে কখনোই নয়।
কোন কাজগুলো স্টুডেন্ট ভিসায় করা যাবে না?
Immigration Rules (ST 26.5) নিষেধগুলো সরাসরি বলে দিয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসায় আপনি পারবেন না:
- self-employed হতে বা ব্যবসায়িক কাজে যুক্ত হতে (Innovator Founder আবেদন ঝুলে থাকলে সংকীর্ণ একটি ব্যতিক্রম আছে);
- পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে কাজ করতে, কোচিং করানোও এর মধ্যে পড়ে;
- entertainer হিসেবে কাজ করতে — অভিনেতা, সংগীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী বা অন্য কোনো পারফর্মার;
- স্থায়ী পূর্ণকালীন কোনো পদে যোগ দিতে।
"স্থায়ী" মানে যে চুক্তির কোনো শেষ তারিখ নেই। স্থায়ী পার্ট-টাইম কাজ ঠিক আছে; ছুটির সময়ে নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্ণকালীন কাজও ঠিক আছে। আর কোনো মালিক যদি কাগজপত্রের ঝামেলা এড়াতে আপনাকে "freelancer" বা "contractor" হিসেবে টাকা দিতে চান, রাজি হবেন না — ওটা self-employment, আর ঝুঁকিটা তাঁর ভিসার নয়, আপনার।
দুটো কাজ কিন্তু করা যায়, যা অনেকে ভাবেন যায় না: নির্বাচিত students' union sabbatical officer হিসেবে কাজ (CAS যদি সে উদ্দেশ্যেই দেওয়া হয়, সর্বোচ্চ দুই বছর), আর কোর্সের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মূল্যায়িত work placement — যেটা term time-এও পূর্ণকালীন হতে পারে।
প্রকৃত স্বেচ্ছাসেবা — যেখানে চুক্তি নেই, বেতন নেই, কোনো কর্মীর জায়গায় আপনি কাজ করছেন না — ঘণ্টার হিসাবে যোগ হয় না। কিন্তু কোনো সংস্থার জন্য "voluntary work" আসলে অবৈতনিক চাকরির একটা ধরন, আর সেটা ঘণ্টার হিসাবে যোগ হয়। যাঁদের কাজের অনুমতি নেই, উদ্দেশ্য যত ভালোই হোক, দ্বিতীয় ধরনটা তাঁদের এড়িয়ে চলতেই হবে।
National Insurance নম্বর লাগবে কি, আর কর দিতে হবে?
ঠিকমতো কর হিসাব হওয়ার জন্য National Insurance (NI) নম্বর লাগবে, তবে কাজ শুরুর আগেই সেটা হাতে থাকতে হবে না — GOV.UK বলছে, কাজের অধিকার প্রমাণ করতে পারলে নম্বর পাওয়ার আগেই কাজ শুরু করা যায়। UK-তে পৌঁছে ঠিকানা হয়ে গেলে আবেদন করুন।
২০২৬–২৭ কর বছরে (৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৫ এপ্রিল ২০২৭) করমুক্ত ব্যক্তিগত আয়সীমা £12,570। নিজের ঘণ্টার সীমার মধ্যে থেকে কাজ করলে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর আয় এর নিচেই থাকে, ফলে আয়কর প্রায় দিতে হয় না। শুরুর দিকে emergency tax code বসে যাওয়া খুব সাধারণ ব্যাপার, আর সেই টাকা ফেরতযোগ্য। National Insurance-এর হিসাব আলাদা সাপ্তাহিক সীমা ধরে হয়।
- দেশ ছাড়ার আগেই UKVI অ্যাকাউন্ট খুলে রাখুন। BRP কার্ডের জায়গায় এখন eVisa এসেছে, অর্থাৎ আপনার স্ট্যাটাস ডিজিটাল — আর মালিকপক্ষ ওই অ্যাকাউন্ট থেকে বানানো share code চাইবে।
- নিজের কাজের শর্ত মিলিয়ে নিন। অনুমতিপত্রে ঠিক কী লেখা আছে পড়ুন। যদি লেখা থাকে কাজ নিষিদ্ধ, তাহলে কাজ করা যাবে না — আগে সেটা সংশোধন করাতে হবে।
- sponsor-এর সরকারি term dates লিখিতভাবে নিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, সিনিয়র ভাইয়ের স্মৃতি থেকে নয়।
- UK-তে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন এনরোলমেন্ট লেটার আর ঠিকানার প্রমাণ দিয়ে — বেশিরভাগ মালিক বিদেশি অ্যাকাউন্টে বেতন দেবেন না।
- National Insurance নম্বরের জন্য আবেদন করুন অনলাইনে, UK-র ঠিকানা হয়ে যাওয়ার পর।
- ঘণ্টার হিসাব লেখা শুরু করুন — তারিখ, প্রতিষ্ঠান, ঘণ্টা — একদম প্রথম শিফট থেকেই।
পার্ট-টাইম আয় কি ভিসার আর্থিক শর্ত পূরণে কাজে লাগে?
লাগে না — আর বাংলাদেশের বাজারে এটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুল বোঝাবুঝি। আর্থিক শর্ত যাচাই হয় আপনি রওনা দেওয়ার আগে: London-এর কোর্সের জন্য মাসে £1,529 আর London-এর বাইরে £1,171 (সর্বোচ্চ নয় মাসের জন্য), যা টানা ২৮ দিন উপযুক্ত অ্যাকাউন্টে থাকতে হবে, আর ব্যালান্সের তারিখ আবেদনের ৩১ দিনের মধ্যে হতে হবে।
Coventry-র কোনো ক্যাফেতে ভবিষ্যতে যে টাকা আয় করবেন, সেটা আজকের অ্যাকাউন্টে দেখানো যায় না। কোনো এজেন্ট যদি পরিবারকে বলেন "ফান্ড নিয়ে চিন্তা করবেন না, ছেলে ওখানে কাজ করে তুলে নেবে" — তিনি আসলে একটা পরিকল্পনা নয়, একটা রিফিউজালের বর্ণনা দিচ্ছেন।
বাংলাদেশি পরিবার যখন আমাদের সঙ্গে বসেন, পার্ট-টাইম কাজের আলোচনাটা আসলে আশার আলোচনা — কোনো চাচা শুনেছেন, London-এ শিক্ষার্থীরা মাসে £1,500 আয় করেন। আমরা যা করি তা হলো দুটো কলাম পাশাপাশি রাখা: আইনি ২০ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবে কত আয় হয়, আর যে শহর থেকে অফার এসেছে সেখানে বাসা, যাতায়াত ও খাবারের প্রকৃত খরচ কত। কখনো এতে শহর বদলায়, কখনো দেশ। বাজেট প্রায় সব সময়ই বদলায় — আর এই কথাগুলো কোর্সের তৃতীয় মাসে নয়, বাংলাদেশে বসেই সেরে ফেলা অনেক ভালো।
পার্ট-টাইম কাজের কোন ভুলগুলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা কেড়ে নেয়?
চারটি ভুল বারবার ফিরে আসে, আর চারটিই এড়ানো সম্ভব:
- দুই চাকরির ঘণ্টা যোগ না করা। ২০ ঘণ্টা মানে দেশে-বিদেশে সব মালিক মিলিয়ে মোট হিসাব।
- "এ সপ্তাহে ক্লাস নেই" মানেই ছুটি ভেবে নেওয়া। কেবল sponsor-এর সরকারি ছুটির তারিখই গোনা হয়।
- নগদে বা "freelance" হিসেবে কাজ নেওয়া। পে-স্লিপ না থাকলে নিয়ম মেনেছেন তার প্রমাণ থাকে না — আর freelancing মানে self-employment, যা পুরোপুরি নিষিদ্ধ।
- কাজের চাপে ক্লাসে অনিয়মিত হয়ে পড়া। উপস্থিতি খারাপ হলে sponsor রিপোর্ট করতে বাধ্য। যে চাকরি আপনার CAS কেড়ে নেয়, সেটা তার পেছনের সবকিছুই কেড়ে নেয়।
কাজে নামার আগে যাচাই করুন: উপরের ঘণ্টার সীমা, নিষেধাজ্ঞা ও মজুরির হার GOV.UK ও Immigration Rules থেকে নেওয়া, ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত অবস্থায় — আর হারগুলো প্রতি এপ্রিলে বদলায়। আপনার নিজের সীমা নির্ভর করে sponsor-এর অবস্থা ও কোর্সের স্তরের ওপর, তাই কাজ শুরুর আগে নিজের অনুমতিপত্রের শর্ত আর বিশ্ববিদ্যালয়ের term dates মিলিয়ে নিন। UKCISA আরও বলছে, শিক্ষার্থীর তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি আয় হলে Home Office প্রশ্ন তুলতে পারে — সাধারণত বছরে প্রায় £15,000-এর কথা বলা হয়, যা আইনি আয়সীমা নয়, বরং যাচাই-বাছাই নিয়ে পরামর্শ।
আরও পড়ুন: UK-তে শিক্ষার্থীদের জীবনযাত্রার খরচ · UK স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত ও ডকুমেন্ট চেকলিস্ট
নিজের কাজের শর্ত কী হবে, নিশ্চিত নন?
আপনার ঘণ্টার সীমা নির্ভর করে sponsor, কোর্সের স্তর আর অনুমতিপত্রের ভাষার ওপর — যা শিক্ষার্থীভেদে আলাদা। অফার লেটার নিয়ে আসুন, আমরা একসঙ্গে বসে শর্তগুলো পড়ব, শহরভিত্তিক বাস্তব বাজেট বানাব, আর পার্ট-টাইম কাজের আশায় না থেকে ফান্ডের পরিকল্পনাটা ঠিকমতো সাজাব। আর বেশিরভাগ কনসালটেন্সির মতো নয় — পৌঁছানোর পরও আমরা আপনার পাশে থাকি।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →


